প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস | এক ক্লাসেই🔥 | Chapter 1 biology 2nd Paper | One Shot Class | RMH
Oct 11, 2026 14:47
· 3:37:25
· BN
· captions
Plattform
Dës Transkriptioun ass a 2 Deeg
Upgrade fir permanent Speicherung →
D'Aarbecht mat der AI verbesseren
Transkribeiert mat Whisper AI fir méi Präzisioun, Sprechererkennung an Zäitstempel op Wierderniveau. D'Kosten vun der aktueller Videodauer a Minutten.
Audio erofgelueden an AI-Transkriptioun ausgefouert... Dat kann e puer Minutten daueren.
Just ze gesinn
0:00
আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থীরা। আশা করি
0:02
সবাই অনেক ভালো আছো। আমি আছি
0:03
আলহামদুলিল্লাহ। তো বায়োলজির দ্বিতীয়
0:05
পত্রের প্রথম অধ্যায়ের ওয়ান শর্ট ক্লাসে
0:08
তোমাকে স্বাগত জানাচ্ছি। এটা এমন একটা
0:10
লেকচার হতে যাচ্ছে যে লেকচারের মধ্যে
0:13
টোটাল প্রথম অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ
0:15
গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলার বেসিক নিয়ে আলোচনা
0:17
করা হয়েছে এবং 2025 সালের যে এইচএসসি
0:21
ফাইনাল পরীক্ষা হয়ে গেছে এই ফাইনাল
0:23
পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে যতগুলা সৃজনশীল
0:25
প্রশ্ন আসছে প্রত্যেকটা সৃজনশীলের
0:27
ব্যাখ্যা দেওয়া হবে এবং 2025 সালের এই
0:30
অধ্যায় থেকে এবং 2023 সালের রিসেন্ট এই
0:33
অধ্যায় থেকে যতগুলা এমসিকিউ আসছে
0:35
প্রত্যেকটা এমসিকিউ হচ্ছে এই লেকচারের
0:37
মধ্যে আমরা সলভ করাবো ইনশাল্লাহ তাহলে কি
0:39
হবে? রিসেন্ট কোশ্চেন সম্বন্ধে আমাদের
0:41
ধারণা হবে। এবং এই যে বেসিক অংশটা যে আছে
0:44
এই বেসিক অংশটা তুমি যদি একটু ফোকাস করে
0:46
একটু ভালো করে গুরুত্ব দিয়ে একটু মনোযোগ
0:49
সহকারে বেসিক অংশটুকু তুমি যদি করতে পারো
0:52
তাহলে হচ্ছে এই অধ্যায় থেকে প্রশ্ন
0:54
যেভাবেই ঘুরিয়ে আসুক সৃজনশীল প্রশ্ন।
0:56
যেভাবেই ঘুরিয়ে আসুক তুমি কমন পাবা
0:58
ইনশআল্লাহ। ঠিক আছে? সো এটা হচ্ছে এমন
1:01
একটা কমপ্যাক্ট লেকচার হতে যাচ্ছে যে
1:03
লেকচারের মধ্যে হচ্ছে প্রথম অধ্যায়ের
1:05
একেবারে গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ
1:07
অংশগুলা আলোচনা করা হবে। আশা করি এই
1:10
লেকচারটা তুমি যদি মনোযোগ সহকারে দেখতে
1:12
পারো তাহলে প্রথম অধ্যায় থেকে তোমার সব
1:14
ধরনের মোটামুটি একটা ফাইনাল পরীক্ষায়
1:18
ভালো করার জন্য একটা প্রস্তুতি তোমার হয়ে
1:20
যাবে ইনশাআল্লাহ। আর আরেকটা কথা বলে রাখি
1:22
যে একটা লেকচারের মাধ্যমে অবশ্যই একটা
1:25
অধ্যায় শেষ করা যায় না।
1:26
ইন্টারমিডিয়েটের আমরা হচ্ছে যেহেতু আমার
1:28
পেইড ব্যাচে আমি ক্লাস নেই। আমার বায়োলজি
1:30
কোর্স আছে। আমি হচ্ছে প্রথম অধ্যায় শেষ
1:33
করছি। টোটাল হচ্ছে 10 টা লেকচারের
1:36
মাধ্যমে। টোটাল 10 টা লেকচারের মাধ্যমে হল
1:38
প্রথম অধ্যায় কমপ্লিট হয়। তাইলে হচ্ছে
1:40
যে এটা একটা লেকচারের মাধ্যমে শেষ করতেছি।
1:42
বিষয়টা কি? এটা হচ্ছে মূলত এই ক্লাসটা
1:45
মূলত আমার পেইড বেসের জন্য। যে 10 টা
1:47
লেকচার নিয়ে হচ্ছে প্রথম অধ্যায়
1:49
বিস্তারিত আলোচনা করছি। এই 10টা লেকচার
1:51
শেষে একটা লেকচার ওদের প্রোভাইড করা হবে।
1:54
যেটা হচ্ছে এই 10 টা লেকচারের সারনির্যাস।
1:56
যেটা রিভিশন ক্লাস সহজ হবে বোঝার জন্য।
2:00
ঠিক আছে? তাহলে এটা কেন পাবলিকলি দিচ্ছি?
2:02
কারণ এইজন্য দিচ্ছে যেহেতু টোটাল প্রথম
2:04
অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ
2:06
অংশগুলো এখানে আছে এবং হচ্ছে অসংখ্য
2:09
স্টুডেন্ট আছে যারা হচ্ছে পেড ব্যাসে
2:11
ভর্তি হতে পারে না ফিনান্সিয়াল প্রবলেম
2:13
আছে বা যাই হোক আদারস প্রবলেম যারা ভর্তি
2:15
হয় নাই তো এটা হচ্ছে আমরা সবার জন্য এই
2:18
সেবাটা উন্মুক্ত করে দিচ্ছি যাতে হচ্ছে সব
2:20
ধরনের স্টুডেন্ট একেবারে প্রত্যন্ত গ্রাম
2:22
থেকে শুরু করে শহর লেভেল পর্যন্ত
2:24
বাংলাদেশের সব স্টুডেন্টরা যেন এই
2:27
ক্লাসগুলার মাধ্যমে যেন উপকৃত হয় এটলিস্ট
2:30
একটা অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ
2:32
অংশগুলা যেন জানতে পারে এবং হচ্ছে যেতে
2:35
কনসেপ্ট যেন ক্লিয়ার হয় পরীক্ষা যেন সবাই
2:37
ভালো করতে পারে। তো এটা হচ্ছে আমাদের একটা
2:39
সেবা বলতে পারো। পাশাপাশি বলতে পারো যে
2:42
এটা আমাদের যে কোর্স আছে কোর্সগুলার
2:43
প্রমোশন বা আমরা কেমন পড়াচ্ছি সেটা
2:46
তোমাদের জাচ করতে পারবা তোমরা এই
2:47
ক্লাসগুলার মাধ্যমে সেটাও বলতে পারো। বাট
2:50
তোমাদের বলে রাখি যে অনেকেই বলে যে ওয়ান
2:53
শর্ট ক্লাস আসলে ভালো কিছু দেয় না ভালো
2:55
কিছু দেয় না এটা আমরাও মানি যে ওয়ান শর্ট
2:57
ক্লাস ভালো কিছু দেয় না আর তাদের জন্য
3:00
আমরা বলব আমরা কিন্তু শুধু ওয়ান শর্ট
3:02
ক্লাসই যে নেই এমনতো এটা তো না আমরা ওয়ান
3:05
শর্ট ক্লাস আসলে নেই না খুব কম নেই আমাদের
3:08
বেসিক ক্লাসগুলো হচ্ছে অনেক লং ডিউরেশন
3:11
অসংখ্য ক্লাস থাকে জাস্ট রিভাইজের জন্য
3:15
স্টুডেন্টদের সময়কে সেভ করার জন্য ওই
3:18
সবগুলা লেকচারের সারনি নির্যাস শেষে হচ্ছে
3:21
আমরা একটা লেকচার নেই। আর ওই লেকচারটা
3:23
আমরা পাবলিক করি। তার মানে এই না যে আমরা
3:27
একটা অধ্যায় থেকে শুধু একটা লেকচারে শেষ
3:29
করি। সো আর কথা বলবো না। তো প্রথমেই
3:31
তোমাকে যে কথাটা বলে রাখবো এই বেসিক অংশটা
3:34
একটু বেশি গুরুত্ব দিবা। আশা করি আমার
3:37
সাথে সাথে তোমার প্রত্যেকটা টপিক আমার যদি
3:39
না কেটে দেখো তাহলে তোমার আমার সাথে সাথে
3:41
তোমারও শেষ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। আর
3:43
বেসিকের উপর বেস করে কিন্তু আমরা
3:45
সৃজনশীলটা সলভ করে ফেলব। আর এমসিকিউ অংশটা
3:48
থেকে আমরা জাস্ট শুধু ধারণা নিব যে কোন
3:50
কোন জায়গা থেকে আসে এটার উপর বেস করে
3:53
আমরা যদি হচ্ছে কি করি বইটা বেশি বেশি
3:56
পড়ি এবং হচ্ছে এই যে প্রথম অধ্যায়ের যে
3:58
আমরা তোমাদের যে একটা দাগানো বই প্রোভাইড
4:00
করছি প্রথম অধ্যায়টা সুন্দরভাবে দাগায়ে
4:01
দিছি এই জায়গাগুলা থেকে যে এমসিকিউ
4:04
আসতেছে এবং কোথায় থেকে আসে সেই বিষয়টা
4:06
একেবারে ক্লিয়ার হবে সো দেরি না করে চলো
4:08
এখন আমরা সরাসরি আমাদের বেসিক অংশের মধ্যে
4:11
প্রবেশ করতেছি আচ্ছা তো বেসিক অংশের এই যে
4:15
প্রথমে যে জায়গাটা
4:16
এই যে আমরা যে আমরা এই যে প্রথমে যেটা
4:20
দেখতে পাচ্ছি কয়েকটা টপিকের নাম আমি লিখে
4:22
রাখছি এই টপিকগুলা হচ্ছে ক নাম্বার এবং খ
4:25
নাম্বারের জন্য ভেরি ভেরি ইম্পর্টেন্ট
4:28
মানে প্রথম অধ্যায় থেকে শুরু প্রথম
4:30
অধ্যায়ের হচ্ছে যে ক নাম্বার এবং খ
4:33
নাম্বারের জন্য এই টপিকগুলো একটু গুরুত্ব
4:35
দিয়ে পড়তে হবে এর ভিতর থেকেই ঘুরিয়ে
4:38
ফিরিয়ে বোর্ডের বোর্ড পরীক্ষায় ক
4:40
নাম্বার খ নাম্বার আসে যেমন ধর প্রজাতি কি
4:43
বলতে কি বোঝায় জীবব বৈচিত্র কিলিভে
4:46
ভ্রুণীয়স্তর কি সিলম কি নটকড কি
4:48
প্রতিসাম্য কি অঞ্চলায়ন বা
4:50
ট্যাগমাটাইজেশন
4:52
এবারে এই কয়টা জিনিস সম্বন্ধে ধারণা
4:54
থাকলেই প্রথম অধ্যায় থেকে ক নাম্বার খ
4:56
নাম্বার তোমার ক্লিয়ার হয়ে যাবে
4:57
ইনশআল্লাহ আমরা প্রত্যেকটা টপিক আমরা বেশি
5:00
স্লাইড নিব না শুধু এই এখান থেকে আমরা
5:03
প্রত্যেকটা টপিক একটু তোমাদেরকে বুঝায়
5:05
দেওয়ার চেষ্টা করব আশা করি যদি না কেটে
5:08
দেখো তাহলে তুমি বুঝতে পারবা ইনশাআল্লাহ
5:09
তো প্রথম যে টপিকটা আছে সেটা হচ্ছে
5:11
প্রজাতি
5:13
প্রজাতি কি প্রজাতি হচ্ছে একটা জীবগোষ্ঠী
5:16
যেমন মানুষ মানুষ একটা জীবগোষ্ঠী মানুষ
5:18
একটা প্রজাতি গরু একটা প্রজাতি মহিষ একটা
5:22
প্রজাতি ছাগল একটা প্রজাতি ঠিক আছে কুমির
5:26
একটা প্রজাতি সাপ একটা প্রজাতি দয়েল পাখি
5:30
একটা প্রজাতি টিয়া পাখি একটা প্রজাতি ঠিক
5:33
আছে তাইলে তহলে আসলে সংজ্ঞাটা কি দাড়াচ্ছে
5:36
সংজ্ঞাটা দাঁড়াচ্ছে ভালো করে দেখো যে
5:40
প্রজাতি হচ্ছে কি একটা জীবগোষ্ঠী যারা
5:44
নিজেদের মধ্যে যৌন মন প্রজননের মাধ্যমে
5:47
উর্বর সন্তান উৎপাদন করতে সক্ষম। তাদেরকেই
5:50
কি বলা হয়? প্রজাতি বলা হয়। তাহলে একটা
5:53
জীবগোষ্ঠী
5:55
এমন একটা জীবগোষ্ঠী যারা নিজেদের মাধ্যমে
5:58
যৌন প্রজননের মাধ্যমে বা যৌনজননের মাধ্যমে
6:02
উর্বর সন্তান উৎপাদন করে। তারা হচ্ছে
6:04
প্রজাতি। উর্বর সন্তানকে। যৌনজনন তো
6:07
বুঝলাম। জন যৌন প্রজনন বুঝলাম। উর্বর
6:11
সন্তানকে। যে সন্তানেরও সন্তান হবে।
6:15
যেমন আমার বাবার
6:18
আমার বাবার সন্তান আমি আমার সন্তান তার
6:22
সন্তান তার মানে কি আমার সন্তান হইছে তারও
6:25
সন্তান হবে তারও সন্তান হবে যার সন্তান
6:27
হয় মানে বন্ধানা যে গর্ভধারণে সক্ষম
6:31
মেয়ের ক্ষেত্রে ছেলেদের ক্ষেত্রে যার
6:33
স্পাম থেকে সন্তান আসবে এই জীবগুলাকে
6:37
উর্বর বলা হয় তারমানে যে সন্তান উৎপাদনে
6:40
সক্ষম তারাই হচ্ছে কি উর্বর তাইলে একটা
6:44
জীব গোষ্ঠী যেমন দুইটা গরুর মাধ্যমে যৌন
6:47
মিলনের মাধ্যমে আরেকটা গরু হলো ওই গরুও
6:49
একসময় তারও আরেকটা বাচ্চা হবে এর হল উর্বর
6:54
উর্বর ঠিক আছে তহলে প্রজাতি কি প্রজাতি
6:57
হচ্ছে একটা জীবগোষ্ঠী বা একটা জীব
6:59
সম্প্রদায় যাদের নিজেদের মধ্যে যৌনমিলনের
7:02
মাধ্যমে যারা কি করে উর্বর সন্তান উৎপাদন
7:05
করে তারাই হচ্ছে কি প্রজাতি আশা করি এটা
7:09
ক্লিয়ার হইছে ওকে ফাইন
7:11
আচ্ছা এবার আসো জীব বৈচিত্র বা প্রাণী
7:13
বৈচিত্র কি? এই যে পৃথিবীতে যত বিভিন্ন
7:17
ধরনের জীব আছে কিছু জলে বাস করে, কিছু
7:19
স্থলে বাস করে, কিছু আকাশে উড়ে হ্যাঁ
7:22
এদের মধ্যে যে এই যে একেকটা জীবের একেক
7:25
রকম বৈশিষ্ট্য কেউ মরুভূমিতে আছে, কেউ
7:28
হচ্ছে সমুদ্রের মধ্যে আছে। কেউ হচ্ছে অনেক
7:31
ঠান্ডা পরিবেশে আছে, কেউ গরম পরিবেশের
7:33
মধ্যে আছে। হ্যাঁ। কেউ আকারে বড়, কেউ
7:35
আকারে ছোট, একেকজনের একেক রং। হ্যাঁ।
7:38
একেকজনের একেক বৈশিষ্ট্য। এই যেগুলা হচ্ছে
7:41
এই বিষয়টাই হচ্ছে কি? জীব বৈচিত্র বা
7:43
প্রাণী বৈচিত্র। সাধারণত প্রত্যেকটা জীবের
7:46
মধ্যে বা এই প্রাণী বৈচিত্রটা হল কি? তিন
7:49
ধরনের বৈচিত্রতা লক্ষ্য করা যায়। একটা
7:52
হচ্ছে কি? প্রজাতিগত বৈচিত্র।
7:55
প্রজাতিগত
7:56
বৈচিত্র। আরেকটা হচ্ছে জিনগত বৈচিত্র।
8:00
জিনগত বৈচিত্র আরেকটা হচ্ছে
8:02
বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র। বাস্তুতান্ত্রিক
8:06
বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র। এই তিন ধরনের
8:09
বৈচিত্র লক্ষ্য করা যায় সাধারণত। তাহলে
8:12
আমরা কি বলতে পারি? প্রাণী বৈচিত্র বা জীব
8:14
বৈচিত্র কি? যে সারা পৃথিবীতে যে জীবগুলো
8:18
বাস করে জলে, স্থলে বা আকাশে উড়ে যে
8:21
জীবগুলা এই জীবগুলার মধ্যে যে প্রজাতিগত
8:24
বৈচিত্র, জীনগত বৈচিত্র এবং
8:26
বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র লক্ষ্য করা যায়।
8:28
হ্যাঁ। এদের সমষ্টিকেই কি বলা হয়? জীব
8:31
বৈচিত্র বা প্রাণী বৈচিত্র বলা হয়।
8:34
সিম্পল জিনিস। বা আমরা এভাবে বলতে পারি যে
8:36
প্রত্যেকটা এই পৃথিবীতে যত জীব বাস করে এ
8:39
জীবের মধ্যে যে বিভিন্ন ধরনের বৈশিষ্ট্য
8:42
এদের যে আচার আচরণগত বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য
8:45
লক্ষ্য করা যায় এগুলোকেই প্রাণী বৈচিত্র
8:47
বা জীব বৈচিত্র বলা হয় তাহলে জীব
8:50
বৈচিত্রটাকে জীব বৈচিত্রটার মূলত তিনটা
8:52
অংশ একটা হল কি ধরনের বৈচিত্র থাকে একটা
8:55
হল প্রজাতিগত বৈচিত্র থাকে যেমন গরু মহিষ
8:58
ভেড়া শিয়াল বাঘ সিংহ একেকটা একেক
9:02
প্রজাতির একেকটা একেক বৈশিষ্ট্য তারপর
9:04
জীনগত বচিত্র যেমন একটা গরু গরুর মধ্যে
9:07
অস্ট্রেলিয়ান গরু আমাদের দেশী গরু
9:09
ফিজিয়ান গরু আরো হচ্ছে ওই ব্রাহ্মা গরু
9:12
কত জীনগত বৈচিত্রতা আছে আবার
9:14
বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র যেমন মরুভূমির
9:17
মধ্যে এক ধরনের জীব বাস করে আবার হচ্ছে যে
9:20
সমুদ্রের মধ্যে অন্য ধরনের জীব বাস করে ওই
9:22
বরফের দেশে অন্য ধরনের জীব বাস করে আবার
9:25
আমাদের মত নাতিশীতস নমতল ভূমিতে অন্য
9:27
ধরনের জীব বাস করে এগুলো হল
9:29
বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র ঠিক আছে তো আশা
9:31
করি এই বিষয়টা ক্লিয়ার হইছে জাস্ট একবার
9:33
রিডিং পড়বা না পড়লে যেভাবে বললাম এভাবে
9:36
লিখে দিবা হয়ে যাবে। ওতো প্যারা নাই।
9:38
আচ্ছা এরপরে আসা যাক হচ্ছে ক্লিভেজ।
9:41
ক্লিভেজ কি? ক্লিভেজ হচ্ছে এইযে আমরা যে
9:44
বললাম যে যৌন প্রজনন। যৌন প্রজননটা কি?
9:47
যেমন হচ্ছে একটা স্ত্রী গ্যামেট আরেকটা
9:50
হচ্ছে পুং গ্যামেট। ধরে একটা পুং গ্যামেট
9:54
আরেকটা স্ত্রী গ্যামেট। দুইটা হচ্ছে
9:56
একত্রিত হয়ে কি হল? জাইগট গঠিত হল। একটা
10:00
পুং গ্যামেট একটা স্ত্রী গ্যামেট নিষেকের
10:03
মাধ্যমে জাইগট গঠিত হইলো এন জাইগট কি একটা
10:06
কোষ এখান থেকে কি হবে একটা কোষ থেকে একটা
10:09
কোষ থেকে দুইটা হবে দুইটা থেকে চারটা হবে
10:11
চারটা থেকে আটটা হবে এভাবে এই জাইগটার
10:15
সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে আস্তে আস্তে ভ্রুণে
10:16
পরিণত হবে ভ্রূণ থেকে পর্যায়ক্রমভাবে
10:19
একটা শিশুর সৃষ্টি হবে এটা আস্তে আস্তে কি
10:21
হবে ভ্রুণে পরিণত হবে ভ্রুণ থেকে একটা কি
10:24
হবে শিশুর সৃষ্টি হবে তো এই যে জাইগোটটা
10:27
যে ছিল জাইগোরটার মধ্যে যে বিভাজন হল একটা
10:29
থেকে দুইটা হল দুইটা থেকে চারটা হলো চারটা
10:31
থেকে আটটা হলো এই জাইগোট কোষের মধ্যে যে
10:33
বিভাজন হয় এটাই হচ্ছে ক্লিভেজ তাহলে
10:36
ক্লিভেজ কি ক্লিভেজ হচ্ছে কি জাইগোটের
10:39
মধ্যে যে কোষ বিভাজনটা হয় জাইগোটের মধ্যে
10:42
যে কোষ বিভাজনটা হয় ক্লিভেজ হচ্ছে কি
10:44
জাইগোটের মধ্যে যে কোষ বিভাজনটা হয়
10:49
জাইগোটের মধ্যে যে কোষ বিভাজনটা হয় এটা
10:52
হচ্ছে ক্লিভেজ এখন আসা যাক হল ভ্রুণীয়
10:54
স্তর দেখো এখন আসো হচ্ছে ভ্রুণীয় স্তর
10:59
তো এই যে ভ্রুণটা যে গঠিত হইলো এই যে একটা
11:02
জায়গট জায়গটের মধ্যে পর্যায় একটা থেকে
11:05
দুইটা দুইটা থেকে চারটা চারটা থেকে আটটা
11:07
হয়ে একটা ভ্রূণ গঠিত হইলো। এই যে ভ্রুন
11:09
যেটা
11:11
এটা যখন একটা শিশু সৃষ্টি হবার আগে যখন
11:15
ভ্রূণ থাকে এই ভ্রূণের ভিতরে হচ্ছে তিনটা
11:18
স্তর লক্ষ্য করা যায়। ভ্রূণের ভিতরে একটা
11:21
এই যে এই যে এই যে এই যে ভ্রুণটা যে তৈরি
11:23
হচ্ছে এটা গোলাকার হয়ে যায়। প্রথমে নিরেট
11:26
গোলাকার থাকে। পরে নিরেট গোলাকারটা আস্তে
11:27
আস্তে ফাপা হয়ে যায়। ফাপা গোলাকার হয়।
11:31
এই যে আমি সুন্দরভাবে তোমাকে দেখাচ্ছি। এই
11:33
যে ফাপা গোলাকার হয়। এরকম হয়। হওয়ার
11:36
ফলে হচ্ছে এইযে একটা অংশ বেকে যায়। একটা
11:40
অংশ কি হয়? এই যে যেমন একটা ফাপা ফুটবল
11:45
আছে। এটা হল এইযে এইযে এরকম হয়ে যায়।
11:50
এই যে এইযে এরকম হয়ে যায়। এরকম হয়ে
11:54
যায়। তখন হচ্ছে যে তখন হলো যে এই যে
11:57
বাইরের দিক দিয়ে এটা এমন হইতে হইতে এটা
12:00
এমন হয়ে জাস্ট আমি সিম্পল ভাবে যদি বলি
12:03
বাইরের দিক দিয়ে একটা আবরণ এইযে এটা দিয়ে
12:05
একটা আবরণ হয় এটা দিক দিয়ে একটা আবরণ হয়
12:08
মাঝখানে আরেকটা মানে এটা একটা স্তরের
12:10
সৃষ্টি হয় এটা একটা স্তরের সৃষ্টি হয়
12:12
মাঝখানে আরেকটা স্তরের সৃষ্টি হয় তার মানে
12:15
বাইরের দিকে একটা স্তর হয় ভিতরের দিকে
12:18
একটা স্তর হয় মাঝখান দিয়ে আরেকটা স্তর হয়
12:21
এই যে ভ্রূণটার তিনটা স্তরের সৃষ্টি তো
12:24
বাইরের স্তরটাকে বলা হয় একটোডাম। মাঝখানের
12:27
স্তরটাকে বলা হয় মেসোডাম। এই ভিতরের
12:30
স্তরটাকে বলা হচ্ছে এন্ডোডাম। একটোডাম
12:33
এন্ডোডাম মেসোডাম। এইযে আমাদের এইযে
12:35
একটোডাম দিয়ে চামড়া, হাতের নোখ, চুল এগুলা
12:39
হয়। আবার মেসোডাম দিয়ে ধর কলজা ফেপসা
12:41
এগুলা হয়। আবার এই যে এন্ডোডামার্ম দিয়ে
12:44
হাড্ডি টাড্ডি এগুলা হয়। তার মানে এই যে
12:47
ভ্রূণটা গঠিত হবে, নতুন একটা জীব যে হবে,
12:50
ভ্রুণটা গঠিত হওয়ার সময় কি হয়? তিনটা
12:52
স্তরের সৃষ্টি হয় বা হচ্ছে দুইটা স্তরের
12:56
সৃষ্টি হয়। হ্যাঁ। উন্নত প্রাণী যেমন
12:58
মানুষ যারা আছে উন্নত প্রাণীদের মধ্যে
13:00
তিনটা হয়। ভূণীয় স্তর হল তিন স্তরী।
13:02
আবার নিম্ন শ্রেণীর যারা আছে ওদের মধ্যে
13:04
ভূণীয়স্তর দ্বিস্তরী। আবার কিছু কিছু
13:06
মধ্যে ভূণীয়স্তর গঠিত হয় না। তাইলে
13:08
হচ্ছে কি? যখন হলো এই যে ভ্রূণ গঠিত হয়
13:11
যখন জাইগোট থেকে ক্লিভেজ প্রক্রিয়ার
13:13
মাধ্যমে বিভাজনের মাধ্যমে যখন ভ্রূণ গঠিত
13:16
হয়। এই ভ্রূণের যে স্তরের সৃষ্টি হয় এই
13:18
স্তরটাকে কি বলা হয়? ভ্রূণীয় স্তর
13:21
লক্ষ্য করা যায়। উন্নত শ্রেণীর জীবের
13:23
মধ্যে তিনটা ভূণীয় স্তর লক্ষ্য করা যায়।
13:25
একটোডাম, মেসোডাম এবং এন্ডোডাম। ক্লিয়ার
13:28
হইছে? আশা করি ক্লিয়ার হইছে। তাহলে হচ্ছে
13:31
দেখো ক্লিভেজ কি? পুং গ্যামেট এবং স্ত্রী
13:34
গ্যামেট মিলিত হয়ে যে জাইগোট গঠিত হয়।
13:37
এই জাইগোটের মধ্যে পর্যায়ক্রমিকভাবে
13:39
বিভাজন হয়। হয়ে একটা থেকে দুইটা দুইটা
13:41
থেকে চারটা, চারটা থেকে আটটা হয়। এইযে
13:43
জাইগোটের মধ্যে যে বিভাজনটা হয় এটা হচ্ছে
13:45
ক্লিভেজ। জাইগোটার মধ্যে ক্লিভেজ হওয়ার
13:48
মাধ্যমে একটা ভ্রুণ তৈরি হয়। এই ভ্রুণের
13:52
বিভিন্ন স্তরের সৃষ্টি হয়। নিম্ন শ্রেণীর
13:56
জীবগুলাতে দুইটা স্তরের সৃষ্টি হয়
13:57
ভ্রূণীয় স্তর। আর
14:01
উচ্চ শ্রেণীর বা উন্নত শ্রেণীর জীবগুলার
14:03
মধ্যে তিনটা স্তরের সৃষ্টি হয়। ভ্রুণের
14:05
মধ্যে যে স্তরের সৃষ্টি হয় এটাকেই হচ্ছে
14:07
কি বলা হয়? ভ্রুণীয় স্তর। ভ্রুণীয় স্তর
14:11
বলা হয়। এগুলাকে কি বলা হয়? ভ্রুণীয়
14:13
স্তর বলা হয়। তো উন্নত শ্রেণীর মধ্যে যে
14:16
তিনটা স্তর লক্ষ্য করা যায় বাইরের স্তরটা
14:18
হচ্ছে একটোডাম ভিতরের স্তরটা হচ্ছে
14:20
মেসোডাম এবং সর্বশেষ স্তরটা হচ্ছে
14:23
এন্ডোডাম একটোডাম মেসোডাম এন্ডোডাম এই
14:26
তিনটা স্তরের সৃষ্টি হয় ওকে গেল হচ্ছে
14:28
ভ্রূণীয় স্তর এরপরে আসা যাক হচ্ছে সিলোম
14:31
এরপর আসা যাক হচ্ছে সিলম সিলোমটাও ভেরি
14:35
ভেরি ইম্পর্টেন্ট খুবই ইম্পর্টেন্ট হচ্ছে
14:38
এই সিলোমটা এর ভিতরে সবগুলা ইম্পর্টেন্ট
14:41
তার ভিতরে সিলমটা আমার কাছে মনে হয় যে
14:44
সিলমটা মানে খুব খুব খুব খুব
14:48
গুরুত্বপূর্ণ। তো সিলমটা কি এখানে আমরা
14:51
দেখবো? এই যে বললাম যে তিনটা ঘূর্ণিস্তর
14:53
সৃষ্টি হয়। এই যে বাইরের স্তরটা হচ্ছে
14:56
একটাডার্ম।
14:58
একটোডার্ম।
15:01
বাইরের স্তরটা হচ্ছে একটোডাম। এইযে
15:05
মাঝখানে দুইটা স্তরের মাঝখানে যেটা থাকে
15:07
এটা হল মেসোডাম।
15:09
মেসো মেসোডাম। আর এটা হচ্ছে এন্ডোডাম।
15:12
রাইট? এন্ডো
15:15
এন্ডোডাম। এখন দেখো এই যে মেসোডাম যেটা
15:20
মেসোডাম
15:21
এই মেসোডাম থেকে সৃষ্টি হয়। হ্যা তো এই
15:25
সিলম হচ্ছে আমাদের যে দেহের মধ্যে যেকোন
15:29
একটা জীবের মেসোডাম থেকে যে অঙ্গটা সৃষ্টি
15:33
হবে
15:35
এটার ভিতরে বিভিন্ন ফাপা হয়। গহব্বর হয়।
15:38
ফাপা ফাপা গহব্বরের সৃষ্টি হয়। এবং এই
15:41
গহব্বরগুললা চারপাশ দিয়ে আবরণ থাকে। তাইলে
15:44
আমরা এটা হচ্ছে কি? যেমন আমি সুন্দর করে
15:47
এই জায়গার মধ্যে দেখাই যে সিলোমটাকে।
15:51
সিলম হচ্ছে যেমন ধরো একটা ভ্রূণীয় স্তর।
15:54
এটা হল বাইরের স্তর। একটোডাম।
15:57
এইযে এটা হল এন্ডোডাম। এইযে মাঝখানের এটা
16:01
হল কি? মেসোডাম। এই মাঝখানের এই মেসোডাম
16:04
থেকে হ্যা। মাঝখানের মেসোডাম থেকে মেসোডাম
16:09
থেকে এখানে তো ধরো একটোডাম দিয়ে একটা অঙ্গ
16:11
তৈরি হবে। বিভিন্ন অঙ্গ তৈরি হবে। মেসোডাম
16:14
দিয়ে তৈরি হবে। এন্ডোডাম দিয়ে বিভিন্ন
16:15
ধরনের অঙ্গপত্যঙ্গ তৈরি হবে। তো মেসোডাম
16:18
দিয়ে যে অঙ্গপতঙ্গগুললা তৈরি হবে তার
16:19
ভিতরে দেহের ভিতরে কি থাকবে? বিভিন্ন
16:22
ফাঁকা গহবর থাকবে। গহবরের সৃষ্টি হয়।
16:25
মেসোডামের কোষ ছিড়ে গিয়ে ফেটে গিয়ে বা
16:29
কোনভাবে হোক বিভিন্ন গহবরের সৃষ্টি হয়।
16:33
এবং এই গহবরগুলার চারপাশ দিয়ে একটা আবরণ
16:35
থাকে। এটাকে বলা হয় পেরিটোনিয়াম পর্দা। এই
16:39
আবরণগুলা এই আবরণটা চারপাশ দিয়ে মানে এই
16:43
যে দেহে এই মেসোডামের ভিতরে মেসোডামের
16:47
ভিতরে যে গহবরের সৃষ্টি হয় গহবরের চারপাশ
16:51
দিয়ে কি থাকে? এক ধরনের পর্দা থাকে। এটাকে
16:53
কি বলা হয়? পেরিটোনিয়াম পর্দা।
16:57
তো এই গহবর গুলাকে সিলোম বলা হয়। এই গহবর
17:01
গুলাকে কি বলা হয়? সিলম বলা হয়। তাহলে যে
17:06
সকল জীবের যে সকল জীবের ভূণীয়স্তর
17:10
মেসোডাম মেসোডাম কি হয়? মেসোডামের ভিতরে
17:14
ফাপা গহব্বর থাকে এবং গহব্বরগুলো
17:17
পেরিটোনিয়াম পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।
17:19
হ্যাঁ। এই গহবর গুলাকে সিলোম বলা হয়।
17:24
সিলোমের ভিত্তিতে জীবগুলাকে তিন ভাগে ভাগ
17:28
করা হয়। একটা হচ্ছে এসিলোমেট,
17:31
সিউডোসিলোমেট এবং ইউসিলোমেট। এসিলোমেট যার
17:36
যে সকল জীবের দেহের মধ্যে এই যে সিলম গঠিত
17:39
হয় না দেহের মধ্যে মেসোডাম মেসোডাম যে
17:42
স্তর আছে স্তরের মধ্যে কোন ফাঁকা গবর থাকে
17:44
না। ওটা হচ্ছে এসিলোমেট।
17:47
এটা হচ্ছে কি? এসিলোমেট।
17:49
এসি
17:51
এসিলোমেট।
17:55
আবার কিছু কিছু আছে দেহ এইযে মেসোডামের
17:58
মধ্যে গহব্বর থাকে গহব্বর থাকে কিন্তু
18:02
গহব্বরের চারপাশ দিয়ে যে আবরণ এই আবরণ
18:05
থাকে না সেটাকে বলা হয় হচ্ছে
18:10
সিউডোসিলোমেট
18:13
সিউডো
18:14
সিলোমেট
18:18
আবার কিছু আছে যে গহবর থাকে উন্নত শ্রেণীর
18:21
মধ্যে এবং গহবরের চারপাশ দিয়ে পেরিটোনিয়াম
18:23
পদ্দা থাকে এগুলাকে বলা ্ ইওসিলোমেট এটাকে
18:27
বলা হচ্ছে ইলো
18:30
ইওসিলোমেট তাহলে সিলোমের ভিত্তিতে জীবকে
18:34
তিন ভাগে ভাগ করা হয় এসিলোমেট
18:36
সিউডোসিলোমেট এবং হচ্ছে ইওসিলোমেট
18:38
এসিলোমেট এদের মধ্যে সিলোম থাকে না
18:40
সিউডোসিলোমেট এদের মধ্যে সিলোম থাকে
18:43
সিলোমটা হচ্ছে কি না পরিপূর্ণ না আর
18:47
ইওসিলোমেট এর মধ্যে প্রকৃত মানে সিলোম
18:49
যুক্ত এবং সুগঠিত সিলোম থাকে এজন্য
18:52
এসিলোমেট যেটা এটাকে বলা হয় সিলোম
18:55
মানে সিলম নাই সিউডো সিলমের যেটা হচ্ছে কি
18:58
অপ্রকৃত
19:00
অপ্রকৃত সিলম অপ্রকৃত সিলম মানে সিলমটা
19:05
প্রকৃত না সুন্দর না সিলমের চারপাশ দিয়ে
19:07
আবরণ নাই আরটা হচ্ছে ইউসিলোমেট এটা হল
19:11
প্রকৃত সিলম এটা হচ্ছে কি প্রকৃত সিলম তার
19:15
মানে হচ্ছে যে এটাই হল প্রকৃত সিলম মানে
19:18
সিলমটা ঠিক আছে গঠন ঠিক আছে চারপাশ দিয়ে
19:21
পেরিটোনিয়াম পর্দাও আছে আচ্ছা তাইলে তাইলে
19:24
সিলনম কাকে বলে? সিলম হচ্ছে
19:26
ভ্রূণীয়স্তরের মধ্যে যে তিনটা ভূয়স্ত
19:28
স্তর থাকে মেসোডাম এই মেসোডামের মধ্যে যে
19:32
পেরিটোনিয়াম পর্দা দ্বারা আবৃত গহবর
19:34
লক্ষ্য করা যায় এটাকে সিলোম বলা হয়।
19:36
সিলোমের ভিত্তিতে জীবকে তিন ভাগে ভাগ করা
19:39
হয়। অ্যাসিলোমেট, সিডোসিলোমেট,
19:41
ইওসিলোমেট। অ্যাসিলোমেট যাদের মধ্যে সিলোম
19:43
নাই। সিউডোসিলোমেট যাদের মধ্যে সিলোম আছে
19:47
কিন্তু সিলোমটা প্রকৃত না তারা হচ্ছে
19:49
অপ্রকৃত সিলোম। আর ইউসিলোমেট মানে যাদের
19:52
মধ্যে সিলোম আছে এবং হচ্ছে সিলোমটা কি
19:54
প্রকৃত সুন্দর সুগঠিত সিলম মানে সিলমের
19:58
চারপাশ দিয়ে পেরিটোনিয়াম পর্দা আছে তারা
20:00
হচ্ছে কি ইওসিলোমেট আচ্ছা তো মোটামুটি এই
20:05
গেল সিলম তাহলে আমরা প্রজাতি পড়লাম
20:08
প্রজাতি হচ্ছে কি আমি বলছি কি আমার ক্লাস
20:10
শেষ হবে তোমার মুখস্ত হয়ে যাবে সো
20:12
ক্লাসটা মনোযোগ সহকারে দেখো দেখো এই যে
20:14
আমি রিপিট করতেছি প্রজাতি কি একটা
20:16
জীবগোষ্ঠী যারা নিজেদের মধ্যে বংশবৃদ্ধির
20:19
মাধ্যমে
20:20
যৌন প্রজননের মাধ্যমে উরবার উর্বর সন্তান
20:23
উৎপাদনে সক্ষম। এরপর জীব বৈচিত্র কি? এই
20:26
যে বিভিন্ন ধরনের জীব লক্ষ্য করা যায়।
20:28
একেকটা জীবের বৈশিষ্ট্য একেক রকম। যাদের
20:30
মধ্যে প্রজাতিগত, জীনগত এবং
20:32
বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র লক্ষ্য করা যায়।
20:34
এদেরকে এই ভ্যারাইটিসটাকেই কি বলা? জীব
20:36
বৈচিত্র বলা হয়। এরচ ক্লিভেজ কি? এই যে
20:39
পুং গ্যামেট আর স্ত্রী গ্যামেট মিলিত হয়ে
20:42
পুং গ্যামেট আর স্ত্রী গ্যামেট আর পুং
20:44
গ্যামেট মিলিত হয়ে যে জাইগোট গঠিত হয় এই
20:47
জাইগোটের মধ্যে যে পর্যায়ক্রমিকভাবে যে
20:49
বিভাজন হয় এই বিভাজনটাকে ক্লিভেজ বলা হয়।
20:52
ভ্রুণীয় স্তর কি? এই যে জাইগোটের মধ্যে
20:55
পর্যায়ক্রমিকভাবে বিভাজন হওয়ার মাধ্যমে
20:57
একসময় ভ্রূণ গঠিত হয়। এই ভ্রূণের এই
21:01
ভ্রূণের যে স্তর হয় এটাই হচ্ছে ভ্রূণীয়
21:04
স্তর। এটা নিম্ন শ্রেণীর মধ্যে দুইটা স্তর
21:07
লক্ষ্য করা যায়। আর উচ্চ শ্রেণীর মধ্যে
21:08
তিনটা স্তর লক্ষ্য করা যায়। একটোডাম,
21:10
মেসোডাম হচ্ছে এন্ডোডাম। এরপর হচ্ছে আস
21:13
সিলম। সিলম হচ্ছে কি? এই যে ভ্রুণীয় স্তর
21:15
যেটা আছে মেসোডাম। এই মেসোডাম স্তর দ্বারা
21:18
নির্মিত পেরিটোনিয়াম পর্দা দ্বারা আবৃত
21:20
যে গহবর লক্ষ্য করা যায়। পেরিটোনিয়াম
21:23
পর্দা দ্বারা আবৃত যে গহবর মেসোডামের
21:26
মধ্যে মেসোডামের মধ্যে পেরিটোনিয়াম পর্দা
21:28
দ্বারা আবৃত যে গহবর লক্ষ্য করা যায়
21:30
এটাকে হচ্ছে সিলম বলা হয়। সিলমের
21:33
ভিত্তিতে জীবকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
21:35
যাদের মধ্যে সিলোম নাই এসিলোমেট যাদের
21:37
সিলোম আছে কিন্তু প্রকৃত না অপ্রকৃত সিলম
21:40
সিউডোসিলোমেট আর যাদের মধ্যে প্রকৃত সিলোম
21:42
থাকে তারা হচ্ছে ইউসিলমেট
21:44
আচ্ছা
21:46
আচ্ছা এখন আসো হচ্ছে নটোকড আমরা একটু
21:48
নটোকডটা বোঝার চেষ্টা করব নটকডটা বুঝা
21:51
বুঝতে গেলে আমাদের একটু মুছে ফেলতে হবে
21:54
মুছে হচ্ছে যে আমরা এখানে একটু বুঝাবো যে
21:57
নটকডটা কি একটু ভালোভাবে একটু দেখো যে কোন
22:02
একটা জীব আমরা যদি চিন্তা
22:05
যেকোন একটা
22:09
এটা একটু সরায় দেই। ওকে যেন ধর যেকোন একটা
22:13
জীব আমি যদি চিন্তা করি
22:16
জীবের পৃষ্ঠীয় মধ্যরেখা বরাবর পিঠের দিকে
22:20
নট জীবের ধর এটা এটা মুখ। এটা মুখ এটা
22:24
পশ্চাত দিক। তাইলে এই যে এ যদি করি তাহলে
22:28
এটা হল এই অংশটা হল পৃষ্ঠীয় দিক। এটা হল
22:31
পশ্চা অংকীয় দিক। পেটের দিকে না পৃষ্ঠীয়
22:35
দিকে পৃষ্ঠীয় মধ্যরেখা এই যে পিঠের
22:38
মাঝখান বরাবর দিয়ে একটা নমনীয়
22:42
স্থিতিস্থাপক
22:43
হ্যা নমনীয় স্থিতিস্থাপক
22:47
এবং হচ্ছে কি বলা যায় নমনীয়
22:50
স্থিতিস্থাপক
22:51
এবং
Dës Transkriptioun gouf vun AI (automatesch Sproocherkennung) generéiert. Et kann Feeler enthalen - iwwerpréift mat dem originelle Audio fir kritesch Benotzung. Politik
Zesummenfassung
D'Resultat ass eng synchroniséiert Transkriptioun vun der Transkriptiouns-Iwwersetzung.
Zesummenfaassung...
D'Lëscht vun de lëtzebuergesche Transkriptiounen
Et gëtt verschidden Aarte vu Referenzen, déi et och gëtt.