Swamijir Chicago Baktritar Tatparya (Bengali) by Swami Durganathananda dt. 11-Sep-26.

1:17:41 16 Bab 1411 Segmen

Bab

  1. 0:00

    আসতোমা সদগময়া তামামসমা জ্যোতিরগময়া মৃত্যরমামৃতম গময়া শান্তি শান্তি শান্তি নমস্কার শুভ সন্ধ্যা আজ ডাক্তার সুব্রত মৈত্র স্ারক বক্তৃতা নদীয়া জেলার শান্তিপুরের বিখ্যাত মৈত্র পরিবারের সন্তান ডাক্তার সুব্রত মৈত্রের জন্ম 1956 সালের 8ই সেপ্টেম্বর ক…

  2. 5:01

    বিবেক বৈরা বিশুদ্ধ চিতাতম ইস বিবেকী তমাহম নামামি ইস বিবেকি তামামহ নামামি আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচার গোল পার্কের সম্পাদক পূজনীয় স্বামী দত্ত সাহানন্দজী মহারাজকে। আর আমার শ্রদ্ধা ও নমস্কার যার স্মরণে যার স্ারক ব…

  3. 10:02

    তো সেখানকার একজন আইন ব্যবসায়ী এবং আরো তার অনেক মেয়ে ছিল তা তিনি ছিলেন তিনি বললেন যে এখানে মানুষের যত ক্ষমতা সেগুলো তো ঠিক আছে। এর সঙ্গে মানুষের যা চিন্তা, মানুষের যে ভিতরকার চিন্তা এবং চিন্তাধারা নিয়ে তাদের এগিয়ে যাওয়া, তাদের আধ্যাত্মি…

  4. 15:04

    সেইদিন সমগ্র বিশ্ব আবিষ্কার করল আধ্যাত্মিক শক্তি ও রত্ন সম্ভারযুক্ত ভারতবর্ষকে। কলম্বাস চেয়েছিল সাধারণ সম্পদ। কিন্তু সেদিন সব মানুষ এখানে বসেই পেল আধ্যাত্মিক সম্পদ। কিন্তু এই হিন্দু সন্ন্যাসী কে? শ্রী শ্রী ঠাকুরের কথায় সপ্তঋষির এক ঋষি নরূপ…

  5. 20:06

    শিকাগো ধর্ম মহাসভার খবর প্রকাশিত হলো তখন একে একে ভারতবর্ষের বিভিন্ন ধর্ম সম্প্রদায় উদ্দীপনার সঙ্গে প্রতিনিধি নির্বাচনে লেগে গেলেন। এইরকম একটা ধর্ম মহাসম্মেলন আর কোনদিন কোথাও হয়নি। সুতরাং এইরকম একটি ধর্ম মহাসভায় যদি আমাদের সম্প্রদায়ের লো…

  6. 25:08

    ধর্মসভায় যাবার ইচ্ছা ছিল না। মনে মনে না যাওয়ারই সিদ্ধান্ত করেছিলাম। কিন্তু ঠাকুর আমাকে দেখা দিয়ে কয়েকদিন ধরে বারবার বলতে লাগলেন, আমার কাজের জন্য এসেছিস। তোকে যেতেই হবে। তোর জন্যই ওই সভার আয়োজন জানবি। এই কথাটি আমাদের শংকরানন্দজী মহারাজকে বল…

  7. 30:11

    তারপরে অনুসন্ধান করে জানলেন ধর্ম মহাসম্মেলনটা কোথায় হচ্ছে জানছেন। অনুসন্ধান করে জানলেন যে ধর্ম মহাসভা শুরু হবে 11ই সেপ্টেম্বর। আর উপযুক্ত পরিচয়পত্র না থাকলে সভায় কাউকে প্রতিনিধি রূপে গ্রহণ করা হবে না। অধিকান্ত প্রতিনিধি গ্রহণের সময়সীমাও…

  8. 35:14
    Bab 8: খ্রিষ্ট ধর্মে নিহিত আছে অথচ নিহিত নেই অন্য ধর্মে আছে এটা কিছুতেই স্বীকার করতে পারেন না তার গোড়ামি যেখানে ছিল সেইজন্য তিনি তার ভাবটা ছিল অন্য বনেই যেভাবে যেটি চেয়েছিলেন ঠিক সেইটি ধর্ম মহাসভাতে ফলো করা হলো না যাই হোক 1893 সালের 7ই অক্টোবর একটা ক্রিটিক পত্রিকাতে লেখা বেরিয়েছিল যে হিন্দু সন্ন্যাসীর মতন আর কেউ ধর্ম মহাসভার মর্মকথা সীমাবদ্ধতা এবং এর সুন্দরতম প্রভাবের কথা এত ভালোভাবে ব্যক্ত করেনি। যাই হোক স্বামী বিবেকানন্দের সেখানে গিয়ে পৌঁছানো হলো এবং তিনি এই বিশ্ব ধর্ম মহাসম্মেলনে যোগ দিলেন। এই সম্বন্ধে মাঝখানে একটা ছোট্ট কথা বলে রাখা ভালো। 100 বছর পরে 1993 সালের 28শে আগস্ট থেকেচৌটা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একটি দ্বিতীয় বিশ্ব ধর্ম মহাসম্মেলন আহ্বান করা হয়েছিল। সেখানে 125 টা ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা একসঙ্গে জমা হয়েছিলেন। প্রায় 6000 সদস্যের সামনে তারা ভাষণ প্রদান করেছিলেন। কিন্তু 1893 এর যে ধর্ম মহাসম্মেলন তার সঙ্গে এটি তুলনা করা চলে না। 1893 এর এ ধর্ম মহাসভায় যে আধিকারিক ছিলেন সরি 1993 এর অর্থাৎ এই তার 100 বছর পর কিছুদিন আগে যেটা হয়েছিল সেই ধর্ম মহাসভার যিনি নির্বাহী আধিকারিক ছিলেন ডক্টর ড্যানিয়েল গোমেজ ইভানেজ তিনি বলেন তখন আমেরিকায় একটা আশাবাদী ভাবনা বিরাজিত ছিল এখন তো সমগ্র বিশ্বে উদ্বেগের বাতাবরণ স্বামীজীর ওই ধর্মহাসভার পর যেন একটা পরিবেশটাই পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে যে ধর্ম মহাসম্মেলন হয়েছিল তাতে সেটি লক্ষ্য করা যায় না। যাই হোক এটি ছিল একটি বিখ্যাত। তারপর 1893 এর মার্চ মাসে আচ্ছা 1893 সালে 17ই ফেব্রুয়ারি তো স্বামীজী ওখান থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। তারপর ধর্ম মহাসভায় যোগদান করার আগে তিনি আরো আটটা বক্তৃতা দেন। 11ই সেপ্টেম্বর সোমবার ধর্ম মহাসভা শুরু হয় অপরাণ্যে অধিবেশনে। স্বামীজী আমেরিকাবাসী ভগিনী ও ভাতৃবৃন্দ সম্বোধন করে বক্তৃতা দেন। আমরা ছোট্ট করে আগে বলে নেই এই সময়ে তিনি কোথায় কোথায় কি বক্তৃতা দিয়েছেন। তারপরে একটু ডিটেলসে যাব। 11ই সেপ্টেম্বর সোমবার ধর্ম মহাসভা শুরু হলো। তিনি প্রথমে সম্বোধন করলেন ভগিনীয় ভাতৃবৃন্দ বলে। ধর্ম মহাসভায় স্বামীজীর চেয়ারের নম্বর ছিল 31। তার বয়স ছিল 30। 13ই সেপ্টেম্বর বুধবার সান্ধ অধিবেশনে স্বামীজী সভাপতিত্ব করেন। 14ই সেপ্টেম্বর বিশ্বমেলার মহিলা ম্যানেজার অধ্যক্ষা মিসেস পটার পামার স্বামীজীকে মহিলা ভবনে প্রতিনিধিবর্গের প্রীতি সম্মেলনে আহ্বান করেন। এখানে স্বামীজী ভারতীয় নারী সমাজ সম্বন্ধে বক্তৃতা দেন। 15ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার অপরাণ্যে পঞ্চম দিনের অধিবেশনে স্বামীজি সাম্প্রদায়িকতার প্রসঙ্গে কুপমন্ডুকের গল্পটি বলেন 19শে সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার অপরাণ্যে নবম দিনের অধিবেশনে স্বামীজি হিন্দু ধর্ম সম্বন্ধে একটা লিখিত বক্তৃতা পাঠ করেন আর 20শে সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় দশম দিনের অধিবেশনে স্বামীজী খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারকদের অশোভন কার্যকলাপ সম্বন্ধে বিরুদ্ধ মন্তব্য প্রকাশ করেন। আর বক্তৃতা দেন। বক্তার বিষয় ছিল খ্রিস্টানগণ ভারতের জন্য কি করতে পারেন? 300s

    খ্রিষ্ট ধর্মে নিহিত আছে অথচ নিহিত নেই অন্য ধর্মে আছে এটা কিছুতেই স্বীকার করতে পারেন না তার গোড়ামি যেখানে ছিল সেইজন্য তিনি তার ভাবটা ছিল অন্য বনেই যেভাবে যেটি চেয়েছিলেন ঠিক সেইটি ধর্ম মহাসভাতে ফলো করা হলো না যাই হোক 1893 সালের 7ই অক্টোবর এ…

  9. 40:14

    বুধবার সকালে সপ্তদশ দিনের তথা ধর্ম মহাসভার সমাপ্তি অধিবেশনে স্বামীজি বিদায় অভিভাষণ প্রদান করেন। এই ছিল তার বক্তৃতার লিস্ট। এর সঙ্গে আমরা এখানে কয়েকটা জিনিস আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। সেই সময় ভারত পৃথিবীর অবস্থা কেমন? সেই সময় পৃথিবীর অবস্থ…

  10. 45:16

    সম্বন্ধে প্রথমেই বললেন আর কি বললেন? যে ধর্ম জগতকে চিরকাল সমদর্শন ও সর্ববিধ মত গ্রহণের বিষয়ে শিক্ষা দিয়ে আসিতেছে আমি সেই ধর্মভুক্ত বলিয়া নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করি। আমরা যে কেবল অন্য ধর্মাবলম্বীর মত সহ্য করি তাহা নহে। সকল ধর্মকেই আমরা সত্য…

  11. 50:17
    Bab 11: এল সেটাও কতটুকু এইটুকু নিশ্চয়ই এক পা বাড়িয়ে তুমি কল্পনা করতে পারবে না অনেক বড় বলছে এইখান থেকে এতদূর একটু বড় লাপিয়ে না তুমি কলপনা করতে পারবে না এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত লাফি তাহলে এত বড় হবে নিশ্চয়ই এত বড় নয় তুমি ভাবতেও পারবে না কল্পনাও করতে পারবে না ঠিক সেরকমভাবে প্রত্যেকটি ধর্ম তার নিজের নিজের গুন্ডির মধ্যে থেকে মনে করছে আমাদেরটাই শ্রেষ্ঠ অন্যগুলো সব ছোট মিথ্যা সেইটি উপমুন্ডুকে এই গল্পটি বলে তিনি সকলকে বুঝিয়ে দিলেন তাতে আর কি সব শুনলো সবাই যাই হোক এরপর বিজ্ঞান বেদান্ত সম্বন্ধে তিনি হিন্দু ধর্ম সম্বন্ধে বলতে শুরু করলেন। হিন্দু সম্বন্ধে বলতে গিয়ে তিনি বললেন সেই সময় বিজ্ঞান আর আধ্যাত্মিকতা নিয়ে যে বিরোধ তার সম্বন্ধে সেখানে তিনি পরিষ্কারভাবে বললেন বিজ্ঞানের অতি আধুনিক আবিষ্ক্রিয়া সমূহ বেদান্তের যে মহৎস্ব আধ্যাত্মিকভাবে প্রতিধ্বনি মাত্র। আমাদের বিজ্ঞানে যেসব আবিষ্কার এখন সেটি দেখতে পাচ্ছি আমরা। এখনো পর্যন্ত তাই দেখছি। এখন এই বর্তমান যুগের বিজ্ঞান সেখানে তো ধীরে ধীরে ধীরে ধীরে আস্তে আস্তে আস্তে আস্তে যে জায়গায় গিয়ে পৌঁছ হচ্ছে আমাদের উপনিষদের বাণীগুলোর কথাগুলি সেখানে আরো যথার্থতা প্রমাণিত হচ্ছে ইউনিভার্স এক্সপ্যান্ডিং এক্সপ্যান্ড করছে আবার ধীরে সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে হয়ে গেছেই ব্ল্যাক হোল ইত্যাদি আর বলে সেখানে কি থেমে যাচ্ছে কিন্তু আমাদের সেখানে বলা আছে অব্যক্ত অব্যক্ত রূপে রয়েছে আবার সে ব্যক্ত হচ্ছে এইভাবেই এই উপনিষদে অনেক আগেই ঋষিরা এগুলো আবিষ্কার করে গেছে সেই তারই কথাগুলি আবিষ্কার এই যে বিজ্ঞানের আবিষ্কার হচ্ছে সেগুলি তারই প্রতিধ্বনী মাত্র স্বামীজি তখনই বলে দিয়েছিলেন সেই সর্বোৎকৃষ্ট বেদান্ত জ্ঞান থেকে নিম্নস্তরের মূর্তিপূজা ও আনুষঙ্গিক নানাবিধ পৌরাণিক গল্প পর্যন্ত এমনকি বৌদ্ধদের অজ্ঞবাদ জৈনদের নিরীশ্বরবাদ এগুলোর প্রত্যেকটির হিন্দু ধর্মে স্থান রয়েছে। আর এই বিজ্ঞানের কথা বলতে গিয়েই তিনি আরো বললেন যে একত্বের আবিষ্কার ব্যতীত বিজ্ঞান আর কিছুই নয়। এবং যখনই কোন বিজ্ঞান সেই পূর্ণ একত্বে উপনীত হইবে তখনই উহার অগ্রগতি থামিয়া যাইবে। কারণ ওই বিজ্ঞান তাহার লক্ষ্যে উপনীত হই আছে। যেমন রসায়ন শাস্ত্রেও শাস্ত্র যদি এমন একটি মূল পদার্থ আবিষ্কার করে যাহা হইতে অন্যান্য সকল পদার্থ প্রস্তুত করা যাইতে পারে তাহা হইলে ওহা চরম উন্নতি লাভ করিল। পদার্থবিদ্যা যদি এমন একটি শক্তি আবিষ্কার করিতে পারে অন্যান্য শক্তি যাহা হইতে উদ্ভূত হইয়া আছে তাহা হইলে ওই বিজ্ঞানের কার্য শেষ হইল। ধর্মবিজ্ঞানও তখনই পূর্ণতা লাভ করিয়াছে যখন তাহাকে আবিষ্কার করিয়াছে। তিনি এই মৃত্যুময় জগতে একমাত্র জীবনস্বরূপ। যিনি নিত্য পরিবর্তনশীল জগতে একমাত্র অচল অটল ভিত্তি। যিনি একমাত্র পরমাত্মা অন্যান্য আত্মা যাহার ভ্রমাত্মক প্রকাশ মাত্র। এই রূপে বহুবাদ দ্বৈতবাদ প্রবৃতির ভিতর দিয়া শেষে অদ্বৈতবাদী উপনীত হইলে ধর্মবিজ্ঞান আর অগ্রসর হইতে পারে না। ইহাই সর্বপ্রকার জ্ঞান বা বিজ্ঞানের চরম লক্ষ্য। আমাদের মধ্যে অনেক সময় এ নিয়ে দ্বন্দ থাকে যে বিজ্ঞান জড়বা জড়নে। অনেক সময় আমাদের এরকম বলে থাকি যে বিজ্ঞান জড়বস্তুকে নিয়ে আলোচনা করে আর আধ্যাত্মিকতা চৈতন্যকে নিয়ে আলোচনা করে। অতএব দুটো একসঙ্গে সমান হবে না। একদিক থেকে ঠিক। ঠিক। কিন্তু দুজনের লক্ষ্য এক। সেই লক্ষ্য একত্বে পৌঁছানোই লক্ষ্য। আমরা অনেক সময়তে বলব যে কি করে আমরা একত্বে একত্ব বলছি বটে কি করে এতো বোঝানো যায় না। কিভাবে একত্ব সম্ভব? 300s

    এল সেটাও কতটুকু এইটুকু নিশ্চয়ই এক পা বাড়িয়ে তুমি কল্পনা করতে পারবে না অনেক বড় বলছে এইখান থেকে এতদূর একটু বড় লাপিয়ে না তুমি কলপনা করতে পারবে না এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত লাফি তাহলে এত বড় হবে নিশ্চয়ই এত বড় নয় তুমি ভাবতেও পারবে না কল্…

  12. 55:18
    Bab 12: তো অনেক বই আছে না সেই বইগুলোর মধ্যে সেই বইগুলো হচ্ছে পেপার কাগজ কাগজ ছাড়া কি কোন বই হাতে হতে পারে হবে না আমি যেকোন বই এই বইটাকে আমি কাগজ থেকে আলাদা করতে পারবো কাগজটা এটা কাগজ এটা বই করতে পারবো না কিন্তু এই বইটার সঙ্গে অন্য একটা বই মেলাতে এক হবে না আলাদা আলাদা সবসময় আলাদা এইটি একরকম বই ওটি অন্যরকমের বই সেটি আলাদা বিষয়ের বই ওটি অন্যরকম সব আলাদা আলাদা একটা বই কখনো অন্য বই হবে না মানে সব আলাদা ভিন্ন ভিন্ন বই কিন্তু প্রত্যেকটি ভিন্ন ভিন্ন বইয়ের মধ্যে এক বস্তু রয়েছে সেটি হল কাগজ কাগজ ছাড়া আর কিচ্ছু নাই এই হলো একত্ব এই হলো অদ্বৈতবাদ আমাদের মধ্যে বিভিন্ন আমরা প্রত্যেকে আলাদা আলাদা আলাদা আলাদা ভাবের আলাদা আলাদা রকমের আলাদা আলাদা সমস্ত আমাদের সংস্কার দেহ আলাদা দেখতে আলাদা ভাব আলাদা সবকিছু আলাদা কিন্তু প্রত্যেকের মধ্যে একটা কমন জিনিস রয়েছে সেই একত্ব হল সেই আত্মা এইটাকেই বলা হচ্ছে আত্মা হিন্দুরা ওই আত্মাকে জানতে চায় ওই জায়গায় পৌঁছতে চায় যেখানেতে সকলের মধ্যে সেই এক আত্মা প্রত্যেকটি বইয়ের মধ্যে সে এক কাগজ এক কাগজই আছে। সুতরাং ঠিক সেরকম আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে সেই এক আত্মাই রয়েছে। সেই আত্মাকে জানা। আত্মাকে জানলে শেষ। আর কিছু জানার বাকি থাকলো না। সেই একত্রে পৌঁছানো হলো। বিজ্ঞানও ঠিক তাই স্বামীজি বলছেন প্রত্যেকটি বিজ্ঞান বিজ্ঞানের প্রত্যেকটি শাখা প্রত্যেকটি তারাও তাদের নিজের নিজের দিক থেকে যখনই একত্রে পৌঁছ হবে তখন তার আর কিছু আবিষ্কার করার কিছু থাকবে না। যতক্ষণ সেই একত্বে না পৌঁছচ্ছে ততক্ষণই তাদের এই আবিষ্কার চলছে বা কাজ চলছে। তো এইভাবে বিজ্ঞান সম্বন্ধে তিনি বললেন আর তারপরে তখনকার দিনে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে এই ভাব ছিল কি? 303s

    তো অনেক বই আছে না সেই বইগুলোর মধ্যে সেই বইগুলো হচ্ছে পেপার কাগজ কাগজ ছাড়া কি কোন বই হাতে হতে পারে হবে না আমি যেকোন বই এই বইটাকে আমি কাগজ থেকে আলাদা করতে পারবো কাগজটা এটা কাগজ এটা বই করতে পারবো না কিন্তু এই বইটার সঙ্গে অন্য একটা বই মেলাতে এ…

  13. 1:00:22
    Bab 13: তোমরা জড় নও তোমরা দেহ নও জরও তোমাদের দাস তোমরা জরের দাস নও এইগুলো আজকে আমাদের এই পুরো সেপ্টেম্বর মাসটা স্বামীজির তো এই এইটি বারবার আমাদেরকে স্মরণ করা উচিত যে আমরা জ্বরের দাস নই জরও আমাদের দাস কিন্তু এখান থেকে বেরিয়ে যাবার পরেই মোবাইল ফোনটা যখন বেজে উঠবে না সঙ্গে সঙ্গে মনটা ওখানে চলে যাবে যে কি কি এলো দেখি কি এলো দেখি এ এতক্ষণ ধরে এটা সাইলেন্ট ছিল কত কি ফোন এসছে কত কি মেসেজ এসছে আমরা জ্বরের দাস হয়ে পড়েছি এই যে এই ভাব আমাদের জ্বরের দাস নই তাকে যদি আমরা আমাদের দাস করতে না পারি তাহলেই সর্বনাশ সেটা আমাদের এখনকার দিনে আমরা দেখতে পাচ্ছি যদিও একটা সময়ের জন্য এরকম ভাব আসে আবার একটা এটা আসছে মানেই এরও একটা পজিটিভ দিক আছে আমাদেরকে বুঝিয়ে দেয়া হচ্ছে আমরা আমরা নিজেরা বুঝতে পারছি যে এইরকমভাবে হয় এরকম যন্ত্রও এইরকমভাবে আমাদেরকে আকর্ষণ করে আমাদের মন আমাদের এটেনশনকে নিয়ে নিতে পারে কিন্তু না আমাকে এর থেকে আরো শক্তি সঞ্চয় করতে হবে আমার এটেনশনকে আমি অন্যের কাছে বিক্রি করবো না আমি দেব না আমার নিজের নিজেকেই রাখতে হবে ধরে। এই যে এই শক্তি আরো শক্তি আমাদের বাড়ানোর জন্যই জ্বরের সঙ্গে এখন আমাদের চৈতন্যের লড়াই চলছে। যে জড়কে জড়ই রাখতে হবে। তার জন্য আমাকে আরো শক্তি সঞ্চয় করতে হবে। সেই শক্তি সঞ্চয়ের লড়াই চলছে। এখন আমরা আরো শক্তি সঞ্চয় করছি। তো এখান থেকে আমাদেরকে পার হতে হবে। তো এইভাবেই স্বামীজি সেখানে বললেন যে আমরা পাপী বলি না অমৃত আমরা অমৃতের পুত্র আর আমাদের আমরা সর্বব্যাপী শুদ্ধ নিরাকার সর্বশক্তিমান আমাদের কি ধর্ম বলতে কি বলি না যে দেবত্ব আমাদের মধ্যে আগে থেকেই বিদ্যমান যে পূর্ণত্ব আমাদের আগে থেকেই বিদ্যমান তার প্রকাশ তাহলে আমরা সবাই পূর্ণ একদিন একটা ইউথ কনভেনশনে গেছি তা সেখানে একটি ছাত্র বাচ্চা ছেলে সে জিজ্ঞেস করছে যে আচ্ছা মহারাজ আমাদের উদ্দেশ্য কি হওয়া উচিত আমি বললাম কেন না কথামৃতে ঠাকুর বলেছেন যে ঈশ্বর লাভী মনুষ্য জীবনের উদ্দেশ্য তাহলে কি আমাদের ঈশ্বর লাভটাই উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আমি বলছি তোমার কি মনে হয় তাহলে পরে পড়াশোনাকে কারা কেন করা করবো কেন দারুণ কথা তখন তাকে তাকে আমরা বললাম যে তোমার উদ্দেশ্য এখন শিক্ষা লাভ করা তাহলে পরে ঈশ্বর লাভ করাটা মিথ্যা না মিথ্যা নয় ও ঈশ্বর লাভই হবে শিক্ষার মধ্যে দিয়ে কি করে হবে এখন তো আমরা বিজ্ঞান পড়ি ভূগোল পড়ি ইতিহাস পড়ি এইসব পড়ি তাহলে পরে ঈশ্বর লাভ কি হবে না স্বামীজি বলছেন শিক্ষার সংজ্ঞা কি না যে যে পূর্ণতা তোমার মধ্যে আগে থেকেই বিদ্যমান তার প্রকাশ ম্যানিফেস্টেশন অফ দা পারফেকশন অলরেডি ইন ম্যান তারানে আমার আমার মধ্যে যে পারফেকশন রয়েছে আগে থেকেই সেই পারফেকশনেরর প্রকাশ ম্যানিফেস্টেশন তো এখানে ধর্ম তো তাই এই আমরা কিভাবে প্রকাশ করছি সেটাই আমার মধ্যে তো পূর্ণতা আগে থেকেই রয়েছে আর সেই পূর্ণতা প্রকাশের জন্যই তো আমরা বিভিন্ন রকমভাবে প্রকাশ চেষ্টা করছি সেটাই অর্থাৎ আধ্যাত্মিকতায় কি আর অন্যান্য জীবনে কি আমাদের প্রত্যেক ক্ষেত্রে আমরা একটু যদি খুব একটু নিজের দিকে তাকিয়ে দেখি দেখব যে আমরা প্রত্যেকে কিন্তু নিজেকে প্রকাশ সব সময় আমরা নিজেকে প্রকাশ করতে চাইছি হয়তো অনেক সময় আমি যা নয় সেটাও প্রকাশ করতে চাইছি স্বামীজি বলছেন যে এই করতে গিয়েই আমাদের বেশিরভাগ এনার্জিরা চলে যাচ্ছে। তো আমি ভাবছি যে লোকে যেন মনে করে যে আমি একটু ভালো জবধান করি। একটু ধার্মিক সেটা দেখাতে হবে। কোন সময় লোককে দেখাতে হবে যে আমি কিন্তু সত্যবাদী সবসময় সত্য কথা বলি। আমাদের মনের মধ্যে হয়। তার কেন চাই? 301s

    তোমরা জড় নও তোমরা দেহ নও জরও তোমাদের দাস তোমরা জরের দাস নও এইগুলো আজকে আমাদের এই পুরো সেপ্টেম্বর মাসটা স্বামীজির তো এই এইটি বারবার আমাদেরকে স্মরণ করা উচিত যে আমরা জ্বরের দাস নই জরও আমাদের দাস কিন্তু এখান থেকে বেরিয়ে যাবার পরেই মোবাইল ফোনটা …

  14. 1:05:23
    Bab 14: অমৃতের পুত্র হলো। তারপরে তিনি বলছেন যে তখন ধর্মান্ধতা নিয়ে স্বামীজি বলছেন যে কুসংস্কার শত্রু বটে কিন্তু ধর্মান্ধতা আরো খারাপ ধর্মান্ধতা আরো খারাপ খ্রিস্টানরা কেন গির্জায় যান তারা বলে যে আমরা নাকি পুতুল পূজা করি আমরা নাকি পুতুল পূজা করি আমরা অনেকজনকে বিভিন্ন রকম দেব দেবীর পূজা করি এ ওকে ও তাকে আমাকে একজন বলছে যে মহারাজ এটা কিন্তু ঠিকই। আমাদের হিন্দু ধর্মের কোন ঠিক নাই। একজন কালীকে পূজা করছে। একজন কৃষ্ণকে করছে, একজন রামকে করছে, একজন হনুমানকে করছে, একজন গাছকে করছে। আবার এরকমভাবে যে যাকে পারছে সূর্যকে করছে, শিবকে করছে। কোন মিল নাই। সব দ্বন্দ। প্রতিমা পূজাটাই নাকি খারাপ। সে কথা ওরাও বলেছিল। স্বামীজী তাদের ঘরে বলছেন কি বলছেন? 301s

    অমৃতের পুত্র হলো। তারপরে তিনি বলছেন যে তখন ধর্মান্ধতা নিয়ে স্বামীজি বলছেন যে কুসংস্কার শত্রু বটে কিন্তু ধর্মান্ধতা আরো খারাপ ধর্মান্ধতা আরো খারাপ খ্রিস্টানরা কেন গির্জায় যান তারা বলে যে আমরা নাকি পুতুল পূজা করি আমরা নাকি পুতুল পূজা করি আম…

  15. 1:10:24
    Bab 15: ত্যাগ হইয়া গিয়াছে বলিয়া ভিন্ন ধর্মীদের ন্যায় বিগ্রহ সেবাকে তিনি পাপজনক বলিয়া ঘৃণা করেন না। ঠাকুর যখন আমাদের আমরা দেখতে পাই শ্রী রামকৃষ্ণ যখন তার সাধন শুরু করেন মূর্তি পূজা দিয়ে শ্রী শ্রী মায়ের মায়ের মা ভবতারিণীর পূজা করছেন না। হয়তো উনি মোবাইলটা বন্ধ করতে জানেন না। কেউ করে দিলেই তো হয়। সাইলেন্ট করতে পারেন না। এরকম হয়। অনেক সময় তো জানা নেই। তা এখন এবার তো সাম আমরা কি দেখছি আমরা দেখছি ও সময় হয়ে গেছে না ও হো ঘড়ির দিকে তাকায়নি তো অনেক বেশি হয়ে গেছে সময় তাহলে আসতো এইসব না বলতে বলতে তখন আর খেয়াল থাকে না তো ঠাকুর ঠাকুর দেখছেন যে মায়ের যখন দর্শন পাচ্ছে মায়ের দর্শন কিরকম পাচ্ছেন মা যেন শিবতে শিবের বুক থেকে নেমে আসতেন এসে বললেন এসো বাবা এসো আমি তোমার সামনে দাঁড়িয়েছি দেখো আমি ওঠো বাবা ওঠো বলে এরম করে দর্শন পেলেন না। তিনি কি পেলেন? 301s

    ত্যাগ হইয়া গিয়াছে বলিয়া ভিন্ন ধর্মীদের ন্যায় বিগ্রহ সেবাকে তিনি পাপজনক বলিয়া ঘৃণা করেন না। ঠাকুর যখন আমাদের আমরা দেখতে পাই শ্রী রামকৃষ্ণ যখন তার সাধন শুরু করেন মূর্তি পূজা দিয়ে শ্রী শ্রী মায়ের মায়ের মা ভবতারিণীর পূজা করছেন না। হয়তো উনি মোবা…

  16. 1:15:26

    মানুষ কি এই স্বামীজীর প্রভাব হিন্দু ধর্মকে স্বামীজী সেখানে গিয়ে করেছিলেন বলে তারই প্রভাব আমাদের কল্যাণীতে একবার সর্বানন্দ এসেছিলেন আগের এই বছরই আগের বছর নভেম্বর মাসে তা সেখানেতে আমরা সব ব্যবস্থাবস্থা করেছি অনেক মানুষজন এসেছে প্রায় আড়াই হ…