Swamijir Chicago Baktritar Tatparya (Bengali) by Swami Durganathananda dt. 11-Sep-26.

Sep 18, 2026 22:29 · 1:17:41 · BN · captions Plattformsrubriker
Den här utskriften går ut i 24 dagar. Uppgradering för permanent lagring →
Förbättra med AI

Re-transkription med Whisper AI för högre noggrannhet, högtalardetektering och tidstämpel på ordnivå. Kostar verklig video varaktighet i minuter.

Registrera dig gratis
Laddar ner ljud och kör AI transkription... Detta kan ta några minuter.
Visar endast
0:00
আসতোমা সদগময়া তামামসমা জ্যোতিরগময়া
0:06
মৃত্যরমামৃতম
0:08
গময়া শান্তি শান্তি শান্তি
0:15
নমস্কার শুভ সন্ধ্যা আজ ডাক্তার সুব্রত
0:20
মৈত্র স্ারক বক্তৃতা
0:23
নদীয়া জেলার শান্তিপুরের বিখ্যাত মৈত্র
0:26
পরিবারের সন্তান ডাক্তার সুব্রত মৈত্রের
0:29
জন্ম
0:30
1956 সালের 8ই সেপ্টেম্বর কলকাতায়
0:34
প্রাথমিক শিক্ষা একটি ইংরেজি মাধ্যম
0:37
স্কুলে তারপর জগবন্ধু ইনস্টিটিউশন পরে
0:40
ক্যালকাটা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ থেকে
0:42
স্নাতক ডাক্তারি শাস্ত্রে উচ্চ শিক্ষার
0:45
জন্য বিদেশ যাত্রা এবং ইংল্যান্ড ও
0:48
আয়ারল্যান্ড থেকে এমআরসিপি স্নাতকত্ত্ব
0:51
ডিগ্রি লাভ। এরপর মাত্র 34 বছর বয়সে
0:55
কলকাতায় ফিরে চিকিৎসক হিসেবে কাজ শুরু
0:58
করেন। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ভিত্তিক একটি
1:01
চিকিৎসা কেন্দ্রে উডল্যান্ডস ও বেলভিউ এর
1:05
মত খ্যাতনামা হাসপাতালের চিকিৎসক হিসেবে
1:07
ডাক্তার মৈত্র বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন।
1:11
চিকিৎসাশৈলী ছিল সকীয় ও অসাধারণ।
1:15
উদ্ভাবনী ক্ষমতার পরিচয় দিয়ে 2006 সালে
1:18
তিনি গঠন করেন মেডিকেল কনসোর্ডিয়াম।
1:21
কিভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে ডাক্তাররা সেবা কাজ
1:25
করতে পারেন তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ এই
1:28
মেডিকেল কনসোর্টিয়াম বেলভিয়ে
1:30
ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের ইনচার্জ
1:32
হিসেবে তিনি যে কর্মদক্ষতার পরিচয়
1:35
দিয়েছেন তা আজও তার সহকর্মীবৃন্দ কৃতজ্ঞ
1:39
চিত্তে স্মরণ করেন। একদিকে বহু স্বনামধন্য
1:42
রোগীর চিকিৎসা অন্যদিকে তিনি ছিলেন সাধারণ
1:45
রোগীদের কাছে নিকট আত্মীয়স্বরূপ।
1:49
ডাক্তার মৈত্র রামকৃষ্ণ মিশনের ত্রয়দশ
1:52
অধ্যক্ষ শ্রীমৎস্বামী রঙ্গনাথানন্দজী
1:54
মহারাজের দীক্ষিত সন্তান। ডাক্তার মৈত্র
1:58
দীক্ষা লাভের পরে স্বামীজীর আদর্শে সেবা
2:01
কাজ আরম্ভ করেন। গুরুর নামে উত্তর 24
2:04
পরগনায় প্রত্যন্ত অঞ্চল আগারহাটিতে এক
2:07
দাতব্য চিকিৎসালয় তৈরি করে নাম
2:09
দিয়েছিলেন স্বামী রঙ্গনাথানন্দ সেবা
2:13
কেন্দ্র। এই সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে
2:16
সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অংশে স্বামীজীর
2:19
ভাবনায় সেবা কাজ পরিচালিত হয়ে চলেছে।
2:22
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য পরিসেবার
2:24
উন্নতির জন্য যে মেডিকেল টিম তৈরি
2:27
করেছিলেন তার চেয়ারম্যান ছিলেন ডাক্তার
2:29
মৈত্র। প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও তিনি
2:32
রাজ্যের একের পর এক স্বাস্থ্য কেন্দ্র
2:34
পরিদর্শন করেন এবং উদ্ভাবনী ক্ষমতার
2:37
পরিচয় দিয়ে স্বাস্থ্য পরিসেবার
2:39
উল্লেখযোগ্য উন্নতি করতে পেরেছিলেন।
2:41
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে ডাক্তার মৈত্র
2:44
ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস এক্সপেরিয়েন্স
2:46
এন্ড এভিডেন্স বেসড এপ্রোচ এই অসামান্য
2:49
বইটি রচনা করেন। মাত্র 60 বছর বয়সে 2016
2:54
সালের 17 ই মার্চ ডাক্তার মৈত্র রামকৃষ্ণ
2:58
লোকে যাত্রা করেন। আজ বাংলায় সুব্রত
3:02
মৈত্র স্ারক বক্তৃতা প্রদান করবেন স্বামী
3:05
দুর্গানাথানন্দজী মহারাজ সম্পাদক রামকৃষ্ণ
3:09
মিশন কল্যাণী। আপনারা সকলেই অবগত আছেন আজ
3:14
ঐতিহাসিক 11ই সেপ্টেম্বর স্বামীজীর শিকাগো
3:18
বক্তৃতার শুভক্ষণ শুভদিন।
3:22
পূজনীয় মহারাজী স্বামীজীর সেই বক্তৃতাকে
3:25
নির্ভর করেই আজকের এই সভায় আলোচনা করবেন।
3:30
বিষয় স্বামীজীর শিকাগো বক্তৃতার তাৎপর্য।
3:34
আমি মহারাজকে অনুরোধ করি তিনি তার বক্তব্য
3:37
শুরু করুন।
4:19
হু
4:20
[গলা পরিষ্কার করা][কাশি]
4:34
অনিত্য
4:35
দৃশেসু
4:39
বিবিচ
4:41
নিত্যম
4:44
তাসমিন
4:45
সামাধাত
4:48
ইহাসমালিয়া
4:53
বিবেক
4:57
বিশুদ্ধ
4:58
চিততাম
5:01
বিবেক
5:03
বৈরা
5:05
বিশুদ্ধ
5:06
চিতাতম
5:09
ইস
5:11
বিবেকী
5:14
তমাহম
5:16
নামামি
5:19
ইস
5:22
বিবেকি
5:25
তামামহ
5:27
নামামি
5:36
আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম রামকৃষ্ণ মিশন
5:40
ইনস্টিটিউট অফ কালচার গোল পার্কের
5:43
সম্পাদক
5:45
পূজনীয় স্বামী দত্ত সাহানন্দজী মহারাজকে।
5:50
আর
5:52
আমার শ্রদ্ধা ও
5:55
নমস্কার
5:57
যার স্মরণে যার স্ারক বক্তৃতা আজকে এখানে
6:00
চলছে দিতে এসেছি আমার আসার সুযোগ হয়েছে
6:03
ডক্টর সুব্রত মৈত্র তাকেও জানাই আমার
6:07
অন্তরে শ্রদ্ধা এবং নমস্কার
6:11
আর এখানে উপস্থিত
6:17
স্বামীজির ফলোয়ার
6:19
এবং ভক্ত মন্ডলী অনুরাগীবৃন্দ প্রত্যেককে
6:22
জানাই আমার সশ্রদ্ধ নমস্কার।
6:28
আজকের দিনটি
6:31
একটি বিশেষ দিন।
6:34
প্রায় সাড়ে বছর আগে
6:38
ইতালীর
6:40
জেনুয়া বন্দরে বাস করতেন একটি ছেলে।
6:47
সে তার বাবার কাছে গল্প শুনেছিল
6:51
রাজা সালেমান
6:53
তিনি ছিলেন বিখ্যাত
6:55
বিখ্যাত মানে খুব ধনী
6:58
তার রত্ন ভান্ডার নাকি বিখ্যাত ছিল প্রচুর
7:02
সোনা দানা এবং ঝিড়ে জহরদ মানি মণিক্যে
7:06
পূর্ণ
7:09
তো সেই বাবার কাছে গল্প শুনেছিল
7:13
যে এইরকম ভাব সালেমানের এর যে রত্ন
7:16
ভান্ডার
7:18
সেই রত্ন ভান্ডার ভান্ডার পূর্ণ হয়েছিল
7:24
ভারতবর্ষ নামে একটি দেশ থেকে সেই সম্পদ
7:27
নিয়ে আসার ফলে
7:31
ছেলেটির তখন ইচ্ছা হয়েছিল
7:35
যে আমিও ভারতবর্ষে যাব এবং ওই রকম ভাব
7:40
সোনা দানা বিভিন্ন রত্ন সম্ভারে পূর্ণ করব
7:43
আমাদের
7:45
বাড়ি।
7:48
ছেলেটির নাম ক্রিস্টোফার কলম্বাস।
7:52
তারপরে
7:55
সে
7:57
কোন এক খুব বড় নাবিকের
8:00
কন্যার সঙ্গে তার বিবাহ হয়। চলে যান
8:03
পর্তুগাল।
8:05
এরপর স্ত্রীও মারা যায়। একটি সন্তান
8:09
সেটিকে শালিকার কাছে রেখে দিয়ে
8:12
তিনি থাকেন স্পেনে।
8:16
এরপর
8:18
যারা হাত পা হয়ে গেছেন তার উদ্দেশ্য
8:21
পূর্ণ করার জন্য
8:23
তিনি তিনটি বড় বড় জাহাজ নিয়ে চললেন
8:29
ভারতবর্ষের খোঁজে। আটলান্টিক মহাসাগরে
8:32
ভাসিয়ে দিলেন তার তরি।
8:37
কিন্তু
8:38
যেতে যেতে দিক ভুল হওয়াই হোক বা যেভাবেই
8:42
হোক তিনি পৌঁছলেন একটি দেশে আবিষ্কার
8:45
করলেন সেই দেশ।
8:49
সেই দেশটি বাস্তবিক ভারতবর্ষ নয় ছিল
8:53
আমেরিকা।
8:56
তোই কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারকে
9:00
স্মরণ করেই
9:02
তার 400 বছর পূর্তি উপলক্ষে
9:06
আমেরিকাতে শুরু হলো
9:10
একটি
9:13
উৎসব বৃহৎ উৎসব
9:19
তার নাম ছিল ওয়ার্ল্ডস কলম্বিয়ান
9:23
এক্সপোজিশন
9:26
তা এই 1893 সালে এইটি আয়োজিত হয়।
9:34
সেখানে তাদের ইচ্ছা হলো যে আমরা এ পর্যন্ত
9:38
মানুষ যা যা উন্নতি করেছে যা যা উন্নতি
9:43
করেছে সেই সমস্ত কিছু এখানে থাকবে। সবাই
9:47
এক জায়গায় দেখতে পাবে যে এ পর্যন্ত মানব
9:51
সমাজে কি কি উন্নতি হয়েছে কি কি নতুন
9:53
জিনিসের আবিষ্কার হয়েছে কত কি সমস্তই
9:56
মেলার মধ্যে থাকবে এইরকম ভাব ঠিক হয়েছিল
10:02
তো সেখানকার
10:04
একজন
10:06
আইন ব্যবসায়ী এবং আরো তার অনেক মেয়ে ছিল
10:10
তা তিনি ছিলেন তিনি বললেন যে এখানে
10:14
মানুষের যত ক্ষমতা সেগুলো তো ঠিক আছে। এর
10:16
সঙ্গে মানুষের যা চিন্তা,
10:19
মানুষের যে ভিতরকার চিন্তা এবং চিন্তাধারা
10:22
নিয়ে তাদের এগিয়ে যাওয়া, তাদের
10:24
আধ্যাত্মিকতা ইত্যাদি এইসব নিয়েও
10:26
একটুখানি এর একটা বিষয় থাকা উচিত।
10:32
অর্থাৎ তাহলে পরে এটি সম্পূর্ণ হবে।
10:38
তো সেই তার কথা মেনে তখন শুরু হলো যে একটি
10:44
তাহলে ধর্ম মহাসভাও হোক।
10:47
সেই ধর্ম মহাসভার
10:53
যিনি প্রথম বললেন চার্লস বনি।
10:57
চার্লস বনি তিনি পরবর্তীকালে স্বাগত ভাষণে
11:00
বলেছিলেন যেই ধর্ম মহাসভায় আমরা সকল
11:04
ধর্মকে অধর্মের বিরুদ্ধে একত্রিত করতে চাই
11:08
আর দ্বিতীয়ত যদি মহান ধর্ম মতগুলো
11:13
একত্রিত করা যায় তাহলে সহানুভূতি ও
11:17
ঐক্যের একটা সূত্র পাওয়া যাবে যা ঈশ্বর
11:21
প্রেমে মানবজাতির সর্বজনীন ঐক্য ও মানব
11:25
সেবার কাজে
11:27
সহজ হবে।
11:29
এই উদ্দেশ্য নিয়ে চার্লস বনি ধর্ম
11:33
মহাসভার সম্বন্ধে উনি মত দেন। তার
11:39
উদ্দেশ্য ছিল খুবই ভালো।
11:42
কিন্তু সেই সময়ে তখন তো খ্রিস্টান প্রধান
11:46
দেশ তো আর
11:49
ধর্ম মহাসভার
11:51
এই কাজকর্ম দেখাশোনার জন্য
11:55
আরেকটা কমিটি তৈরি করা হলো। সেই কমিটির
11:57
নাম ওয়ার্ল্ডস কংগ্রেস অক্সিলারি অফ দা
11:59
কলম্বিয়ান এক্সপোজিশন। তার সভাপতি ছিলেন
12:02
বনি।
12:04
সারা পৃথিবী জুড়ে চলল চিঠিপত্রের
12:07
আদানপ্রদান। বিভিন্ন জায়গা থেকে সব
12:10
বিভিন্ন প্রদর্শনী জিনিসপত্র আসবে। তার
12:13
সঙ্গে ধর্ম সম্মেলনেতেও ডাকা হবে।
12:18
তা এখানেতে 1893 এর 15ই মে থেকে 28শে
12:23
অক্টোবর পর্যন্ত 20টা বিষয়ের অধিবেশন
12:26
বসেছিল।
12:28
তার মধ্যে অনেক কিছু ছিল। যেমন নারী
12:30
প্রগতি সম্বন্ধে সাধারণ সংবাদপত্র ঔষধ
12:34
অস্ত্রপচার বাণিজ্য অর্থনীতি সংগীত সরকার
12:37
ও আইন সংস্কার অর্থনৈতিক বাণিজ্য ইত্যাদি
12:40
বহু বিষয় নিয়েই ছিল।
12:45
আর ধর্ম মহাসম্মেলনের
12:48
সাধারণ সমা সমিতির সভাপতি ছিলেন শিকাগোর
12:53
প্রেসবেটরিয়ান চার্চের ধর্মযাজক
12:56
রেভারেন্ট ব্যারোজ।
13:01
তিনি যেহেতু ধর্মযাজক ছিলেন খ্রিষ্ট
13:03
ধর্মের সেইজন্য তার সেই ধর্মের প্রতি
13:07
আলাদা একরকম আনুগত্য তো তিনি তার মনে ভয়
13:11
হলো বনি যা বলছে এইটা কি
13:16
করা আমাদের উচিত করতে গেলে আবার এভাবে
13:20
এগতে গেলে আমাদের আবার অন্যদিকে চলে যাব
13:22
না তো
13:23
সেইজন্য
13:25
তিনি একটু সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন
13:28
পরবর্তীকালে অন্যরকম কথাও বলেছিলেন। যাই
13:31
হোক সেটা আমরা পরে আসছি। তা এই ধর্ম
13:34
মহাসম্মেলন শুরু হলো।
13:37
এই ধর্ম মহাসম্মেলনে
13:43
মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য পাঁচ মিনিটের
13:46
একটা বক্তৃতা
13:48
ঘটালো একটা বিস্ফোরণ।
13:52
তাদের মত ছিল তাদের ইচ্ছা ছিল যে এই ধর্ম
13:55
মহাসম সম্মেলনেতে আমরা এটাই প্রতিষ্ঠা
13:59
করবো যে খ্রিষ্ট ধর্মই হলো সব সর্বোচ্চ
14:01
ধর্ম। যে যা নিয়ে আছে তাদের প্রত্যেককে
14:05
এর তলাতেই আসতে হবে। একমাত্র সত্য হলো
14:08
এটাই।
14:11
কিন্তু ওই ছোট্ট একটু বক্তৃতা পাঁচ
14:14
মিনিটের সেটি একটা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দিল।
14:18
সেই বক্তৃতা মাত্র 18 টি সেন্টেন্স ছিল।
14:23
আর 478 টা মত শব্দ।
14:28
বলছে কে 30 বছর বয়সী একটি প্রাণচঞ্চল
14:34
অপরিচিত ভারতীয় যুবক সন্ন্যাসী।
14:41
সে এইটুকু সময়ের মধ্যে আকর্ষণ করে নিল
14:46
চিকাগোর ওই ধর্ম মহাসম্মেলনে উপস্থিত
14:49
প্রত্যেকটি শ্রোতার মন।
14:53
পরিবর্তিত হয়ে গেল তাদের চিরাচরিত ধারণা।
15:00
কলম্বাস ভারতবর্ষকে খুঁজে না পেলেও
15:04
সেইদিন সমগ্র বিশ্ব আবিষ্কার করল
15:08
আধ্যাত্মিক শক্তি ও রত্ন সম্ভারযুক্ত
15:12
ভারতবর্ষকে।
15:15
কলম্বাস চেয়েছিল সাধারণ সম্পদ।
15:19
কিন্তু সেদিন সব মানুষ এখানে বসেই পেল
15:22
আধ্যাত্মিক সম্পদ।
15:26
কিন্তু এই হিন্দু সন্ন্যাসী কে?
15:30
শ্রী শ্রী ঠাকুরের কথায় সপ্তঋষির এক ঋষি
15:34
নরূপী নারায়ণ।
15:37
1881 সালের পৌষ মাসে নরেন্দ্রনাথ
15:41
দত্ত কলকাতার ছেলে সে শ্রী রামকৃষ্ণের
15:45
সঙ্গে দ্বিতীয়বার যখন দেখা করতে যান তখন
15:48
তার গান শোনান। গান শোনেন। গান শোনার পর
15:52
তাকে উত্তরের বারান্দার ঘেরা বারান্দার
15:55
মধ্যে নিয়ে গিয়ে সেখানে আর কেউ ছিল না।
15:58
নরেনকে সামনে রেখে হাত জোড় করে তিনি
16:02
বলেন, জানি প্রভু তুমি সেই পুরাতন ঋষি।
16:07
নররূপী নারায়ণ। জীবের দুর্গতি নিবারণ
16:11
করতে পুনরায় শরীর ধারণ করেছো। যদিও সেই
16:15
সময় নরেন্দ্রনাথ সেই সম্বন্ধে অবগত ছিলেন
16:18
না। আবার ঘটনা পরম্পরার পর দেখতে পাই যখন
16:24
ঠাকুর কাশীপুরে রয়েছেন তার ট্রিটমেন্টেরর
16:28
জন্য গলার ক্ষতির। সেই সময়ে 1886
16:32
খ্রিস্টাব্দের 11ই ফেব্রুয়ারি
16:37
সন্ধ্যাবেলায়
16:39
তখন ঠাকুরের গলার যন্ত্রণা চরমে।
16:44
গলার ক্ষত বাইরে বেরিয়ে আসছে রক্ত পুত
16:47
ঝরছে
16:49
বেঁধে দেয়া হয়েছে গাঁধা পাতার পুটলি এই
16:52
পুলটিস
16:54
আশ্চর্য ব্যাপার তীব্র এই দেহযন্ত্রণাকে
16:57
অগ্রাহ্য করেও ঠাকুর লোকসংগ্রহের কর্মসূচি
17:00
তৈরি করছেন।
17:02
তার অভিমত লোক শিক্ষা দেওয়া বড় কঠিন।
17:05
আদেশ লাভ না হলে লোক শিক্ষা চলবে না। তিনি
17:09
যে এসেছেন একটা মিশন নিয়ে
17:12
তার মিশন এবার কেবলমাত্র ভারতবর্ষ নয়
17:15
পশ্চিমবঙ্গ নয় ভারতবর্ষ নয় সারা বিশ্ব
17:19
সমগ্র বিশ্বে তিনি শিক্ষা দেবেন বলেই
17:22
এবারে তিনি এসেছেন তাই সঙ্গে করে নিয়ে
17:25
এসেছেন একটি বড় দল কলমির দল তার মধ্যে
17:30
শ্রী শ্রী মা স্বামী বিবেকানন্দ তার গৃহী
17:35
পার্ষদ এবং সন্ন্যাসী পার্ষদবৃন্দ
17:39
এই সকলকে নিয়ে একটি বড় টিম নিয়ে এসেছেন
17:43
সমগ্র বিশ্বে তার এই লোকশিক্ষার
17:47
যে মিশন সেটি ফুলফিল করার জন্য।
17:52
তাই
17:54
তিনি বলেছেন একবার
17:56
অনেকবারই বলেছেন যে চাবরাস প্রাপ্ত না হলে
18:02
শ্লোক শিক্ষা দেওয়া যায় না দুদিন লোকে
18:05
শুনবে তারপর ভুলে যাবে তাই ঈশ্বরের আদেশের
18:10
প্রয়োজন তিনি নিজেই তো এসেছেন অবতীর্ণ
18:14
হয়েছেন ওই জন্য তো তিনি রাত্রিয়ে বসে
18:17
বসে কিছু একটা লিখে রেখেছেন
18:20
নরেন আসার পর
18:24
তার হাতে এক টুকরো কাগজ ধরিয়ে দিলেন।
18:28
দিয়ে দেখতে বললেন। এতে লেখা আছে।
18:33
নরেন সেটি দেখলেন। তাতে লেখা ছিল একটি
18:38
হুকুমনামা।
18:40
শুরু হয়েছে জয় রাধে প্রেমময়ী। নরেন
18:44
শিক্ষা দিবে যখন ঘরে বাইরে হাক দিবে। জয়
18:48
রাধে। এই কথাটি লেখা ছিল তিনি আগেই লিখে
18:53
রেখে দিয়েছিলেন। এত যন্ত্রণা এই সবকিছু
18:55
হচ্ছে বটে তার মধ্যেই তিনি একটি কাগজে
18:59
নিজের হাতে লিখে দিয়েছেন।
19:03
বললে হয়তো অনেক সময় আমাদের মধ্যে প্রশ্ন
19:05
আসতে পারে। আদৌ বলেছিলেন কি? ঠিক ঠিক
19:08
শুনেছিল তো না মনগড়া বলছে। তাই জন্য
19:11
একেবারে লিখিত চাপরাস
19:14
তিনি দিয়ে গেলেন স্বামীজীকে। যদিও
19:17
স্বামীজি সেই সময় বলেছিলেন আমি করতে
19:19
পারবো না এসব
19:21
কিন্তু ঠাকুর বলছেন তোর হার করবে অর্থাৎ
19:25
করতেই হবে এখন তুমি ভুলে আছো কিন্তু ঠাকুর
19:29
তো জানেন তার স্বরূপ কি অর্থাৎ সেই নররূপী
19:35
নারায়ণ ওই লোকশিক্ষার জন্যই তো তাকে
19:38
নিয়ে আসা হয়েছে তিনি এসেছেন অতএব সে
19:40
করবেনই
19:46
তো যাই হোক নরেনকে তিনি চাপরাস দিয়ে
19:50
দিলেন লিখিত চাপরাস
19:55
1892 এর মাঝামাঝি
19:58
তারপর তো মাঝে সব অনেক ঘটনায় ঘটে গেছে
20:01
এরপর 1892 এর মাঝামাঝি ভারতবর্ষে যখন
20:06
শিকাগো ধর্ম মহাসভার খবর প্রকাশিত হলো তখন
20:12
একে একে ভারতবর্ষের বিভিন্ন ধর্ম
20:14
সম্প্রদায়
20:16
উদ্দীপনার সঙ্গে প্রতিনিধি নির্বাচনে লেগে
20:19
গেলেন।
20:20
এইরকম একটা ধর্ম মহাসম্মেলন আর কোনদিন
20:24
কোথাও হয়নি। সুতরাং এইরকম একটি ধর্ম
20:28
মহাসভায় যদি আমাদের সম্প্রদায়ের লোককে
20:31
পাঠাতে পারি আমাদের ভাব সারা পৃথিবীময়
20:35
ছড়িয়ে পড়বে। এই ভাব নিয়ে বিভিন্ন ধর্ম
20:39
সম্প্রদায় তাদের মধ্যে কাজ শুরু করে
20:41
দিলেন।
20:44
নববিধান ব্রাহ্ম সমাজের অন্যতম ব্যক্তি
20:47
প্রতাপচন্দ্র মজুমদার
20:49
তিনি গেলেন। ধর্ম বৌদ্ধ প্রতিনিধি ধর্মপাল
20:53
ও তার সম্প্রদায়ের লোকেরাও ভারতে বৌদ্ধ
20:56
ধর্মে লুপ্ত গৌরব ফিরে পেতে চেয়েছিলেন।
20:58
তারাও মনে করলেন যে সেখানে যাওয়া উচিত।
21:02
থিওসফিস্টদের পক্ষ থেকে এান বেশান্ত ও
21:05
এলাহাবাদের জ্ঞানেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এই
21:08
ধর্ম মহাশয় প্রতিনিত করতে গিয়ে গেলেন।
21:11
জৈন সম্প্রদায়ের বীরচাদ গান্ধী ইসলাম
21:15
ধর্ম ধর্মের পক্ষ থেকে দুজন মৌলভী এনারা
21:19
ভারতবর্ষ থেকে আমন্ত্রিত হয়ে ধর্ম
21:23
মহাসভায় সেখানে গেলেন।
21:27
হিন্দু ধর্মের কেউ নাই।
21:32
কেন
21:34
না হিন্দু ধর্মে তখন তো সমুদ্র পার হলেই
21:38
তো তাকে মৃচ্ছ হতে হবে তাকে জাতিচ্চুত হতে
21:42
হবে ধর্মচ্চুত হতে হবে
21:45
তাহলে তারা চায় না যেতে
21:49
সেইজন্য
21:53
সেই সময় তারা হিন্দুদের সেই সময়কার একজন
21:57
মাদ্রাসের বিখ্যাত শিক্ষাবিদ রেফারেন্ট
21:59
হেনরি মিলা
22:01
তিনি ধর্ম মহাসভার এডভাইজারি কমিটির সদস্য
22:04
ছিলেন। তিনি হিন্দু কাগজে একটা চিঠি
22:07
লিখলেন যে রক্ষণশীল হিন্দুদের ধর্ম
22:10
মহাসভায় যোগদানের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে
22:14
গোড়া হিন্দুরা কালাপানি পেরোবে না। এই
22:17
ভর্ষায় তিনি জানিয়েছিলেন যে হিন্দু
22:19
ধর্মের শিক্ষিত পন্ডিতেরা যদি ধর্ম
22:22
সম্বন্ধে তাদের রচনা ইংরেজিতে অনুবাদ করে
22:25
পাঠান তাহলে তার ধর্মসভায় পাঠ করা হবে।
22:28
আর প্রতিনিধি যদি পাঠাতে চান তাহলে তার
22:32
যাতায়াতের অন্যান্য খরচ ধর্ম মহাসভায়
22:35
কর্তৃপক্ষ বহন করবে এবং
22:40
এত আমন্ত্রণ এবং এইসব সত্ত্বেও হিন্দু
22:44
ধর্মের কোন প্রতিনিধি সেখানে গেলেন না।
22:50
অথচ
22:52
তখন খ্রিস্টানেরা একটু কৌতুক করে বলতে
22:55
শুরু করল যে কোন রক্ষণশীল পন্ডিত সমুদ্র ও
23:00
স্বজাতীয় মানুষের বিরূপতা লঙ্ঘন করে ধর্ম
23:03
মহাসভায় যোগদান করে হিন্দু ধর্মতত্ত্ব
23:07
ব্যক্ত করেন কিনা তা আগ্রহের সঙ্গে লক্ষ্য
23:10
করার বিষয় যদি কেউ তা না করেন তাহলে তারা
23:14
কি স্বীকার করে নেবেন না যে পৃথিবীর
23:16
বৃহত্তর
23:18
বৃহত্তর পৃথিবীর কাছে হিন্দু ধর্মের কোন
23:21
বার্তা নেই। হিন্দু ধর্ম তাকে কিছু বলতে
23:24
চায় না। এটাই মনে করে নেবে।
23:28
যাই হোক এই দম্ভ আর মুরুব্বিয়ানা এটি
23:34
দাক্ষিণনাথের দাক্ষিণাত্যের কিছু তরুণ
23:37
যুবকের খুব খারাপ লেগেছিল।
23:41
তারা খুব অপমানিত বোধ করেছিল।
23:45
ঠিক সেই সময়তেই স্বামী বিবেকানন্দ
23:48
পরিব্রাজক বেশে হাজির হয়েছেন
23:51
দাক্ষিণাত্বে।
23:54
তার এই
23:56
পাচ্যদর্শন এবং পাশ্চাত্য দর্শনের
23:59
সম্বন্ধে এত বেশি তার জ্ঞান
24:02
ইংরেজি হিন্দি এবং বাংলায় অন্যান্য
24:05
ভাষায় এত তার দক্ষতা এবং ধর্ম সম্বন্ধে
24:10
এত উদার ভাব এবং সনাতন ধারাকে ধরে রেখে
24:14
ধরে চলা এইসব দেখে
24:18
তারা খুব ইমপ্রেসড হলো তখন মাদ্রাজী যে
24:23
তরুণরা চাইলো এই একমাত্র যোগ্য ব্যক্তি
24:27
এনাকে পাঠাতে হবে ধর্ম মহাসভায়।
24:30
কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। যাই হোক
24:34
তো এনাকে পাঠাতে হবে।
24:37
স্বামীজিকে তারা বললেন প্রথম দিকটা
24:40
স্বামীজি চেয়েও ছিলেন।
24:45
কিন্তু তারপর বারবার মনে হলো এটা আমার
24:48
অহংকার নয় তো।
24:51
আমি তো
24:53
তার ইচ্ছায় চলবো। আমার নিজের ইচ্ছাতে তো
24:55
নয়। তো বারবার বিভিন্ন রকম মনের মধ্যে
24:59
সংকল্প বিকল্প উঠতে শুরু করল। যা হয়।
25:02
কিছুতেই মন স্থির করে উঠতে পারছেন না।
25:05
তিনি এক জায়গায় বলছেন, আমার চিকাগো
25:08
ধর্মসভায় যাবার ইচ্ছা ছিল না। মনে মনে না
25:11
যাওয়ারই সিদ্ধান্ত করেছিলাম। কিন্তু ঠাকুর
25:15
আমাকে দেখা দিয়ে কয়েকদিন ধরে বারবার বলতে
25:18
লাগলেন, আমার কাজের জন্য এসেছিস। তোকে
25:22
যেতেই হবে। তোর জন্যই ওই সভার আয়োজন
25:25
জানবি।
25:28
এই কথাটি আমাদের শংকরানন্দজী মহারাজকে
25:33
বলেছিলেন একজন তার সঙ্গে ছিলেন নামটা ভুলে
25:38
যাচ্ছি।
25:44
নরসিংচারী
25:46
মাদ্রাজে এক ভক্ত আর এ নরসিংচারী।
25:50
তিনি স্বামীজির পাশের ঘরে আছেন থাকতেন তা
25:55
তিনি কদিন ধরে শুনছেন যে স্বামীজি কার
25:58
সঙ্গে তর্ক করছেন খুব বলছেন না না হ্যাঁ
26:00
হ্যাঁ ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের কথা বলছেন
26:02
একটা তর্ক তর্ক চলছে তো তখন নরসিংচারী
26:07
স্বামীজিকে জিজ্ঞাসা করেন স্বামীজি আপনি
26:10
রাত্রিরে কার সঙ্গে কথা বলছিলেন তখন
26:13
স্বামীজি এ কথা বললেন এই ধর্ম মহাসভায়
26:17
যাবার ইচ্ছা আমার নেই ছিল না কিন্তু
26:21
ঠাকুর তিনি আমাকে দেখা দিয়ে তার সঙ্গে
26:23
আমার বচসা হচ্ছিল। তিনি আমাকে বারবার
26:26
যাওয়ার জন্য বলছেন।
26:29
এবং বারবার তিন তিন চার বার এমনটি বলার পর
26:33
ঠিক করেছি যাওয়া যেতে হবে হয়তো।
26:38
এইটি ওই নরসিংচারী পরবর্তীকালে স্বামী
26:41
শংকরানন্দজী মহাজকে বলেছিলেন।
26:44
এই ঘটনা। তো যাই হোক এরপর স্বামীজির মনে
26:47
হলো যে ঠাকুর তো বলছেন ঠিক আছে এখন তো
26:51
ঠাকুরের
26:53
প্রতি
26:55
দেখতে রয়েছে আমাদের মাকে
26:59
তাহলে জানি মাকে চিঠি পাঠালেন মাও তাকে
27:03
চিঠিতে উত্তর দিলেন হ্যাঁ বাবা যাও
27:06
ঠাকুরের এটাই ইচ্ছা তখন আর কিছু নয় তাকে
27:11
যেতে হবে পরবর্তীকালে তিনি কয়েক মাস আগে
27:14
গুরুভাই তুরিয়ানন্দজিকে বলেছিলেন আবু
27:17
পাহাড়ে যে ভাই ওই ধর্মসভাটা যা হতে চলেছে
27:22
তা এর জন্যই এ কথাটা ঠাকুর নরেনকে
27:25
বলেছিলেন সেইটাই নরেন তুয়ানন্দজকে বললেন
27:30
যে এই ধর্মসডোয়া যা এসব এর জন্যই নিজের
27:34
দিকে আঙ্গুল দিয়ে কেই বলেছিলেন আমার মন
27:37
তাই বলছে দেখবে শিঘি এটি ফল ফুলবে
27:43
এইটা ছিল এক দিব্য পুরুষের প্রদীপ্ত
27:46
বাক্য। এটা কোন অহংকার নয় বা
27:51
ভাবাবেগের উগ্র জাতীয়তাবাদী কোন প্রকাশ
27:55
নয়।
27:57
তার পরিণতি হলো 1893 খ্রিস্টাব্দে 31শে মে
28:01
স্বামীজী জাহাজে উঠলেন।
28:05
30শে জুলাই রাত্রি 11 টায় স্বামীজী
28:08
শিকাগোতে উপস্থিত হলেন। মাঝখানে সব আরো
28:11
অনেক ঘটনা আছে।
28:14
31শে জুলাই থেকে 12ই আগস্ট প্রায় দু
28:17
সপ্তাহ ধরে ঘুরে ঘুরে তিনি বিশ্বমেলা
28:19
দেখলেন। বিশ্বমেলা দেখলেন। এর মাঝে আমরা
28:22
জানি স্বামীজি যাচ্ছেন
28:26
তার যাওয়ার আগের তো অনেক ঘটনা এবং ওখানে
28:28
যাবার সময়ও অনেক ঘটনা এবং যখন গিয়ে
28:31
পৌঁছেছেন তখনও কি প্রচন্ড ঠান্ডা সেরকম
28:35
পোশাক আশাক নেই। কোন পয়সাকুড়ি হাতে নেই।
28:37
কপর্দক শূন্য সন্ন্যাসী। ভারতবর্ষে একটা
28:40
কপর্দক শূন্য সন্ন্যাসী যখন পরিভ্রমণ করে
28:43
তখন কোন কোন জায়গাতে ভিক্ষা পাওয়া যায়।
28:46
মানুষ তাকে খেতে দেয় দুটো। কিন্তু এ তো
28:49
ভারতবর্ষ নয়। তাদের মধ্যে তো আর সেই ভাব
28:52
নেই।
28:54
তো সেই রকম একটা বিদেশেও তার পরিব্রাজক
28:57
জীবন শুরু করেছেন ভারতবর্ষে। আর সেটি চলছে
29:00
ভারতবর্ষ থেকে বিশ্বে।
29:02
সেখানেও তিনি পরিব্রাজক।
29:05
কপর্দক শূন্য সন্ন্যাসী যেটুকুনি কাছে
29:08
অল্প সামান্য তখনকার দিনে 4000 টাকা মাত্র
29:11
তুলে দিয়েছে
29:13
আলা সিঙ্গা পেরু মল বা ওখানকার ভক্তরা
29:17
4000 টাকাও কম নয় এখনকার দিনে ভাবলে হবে
29:20
না তখনকার সময়ের মূল্য আছে যাই হোক

Denna utskrift genererades av AI (automatisk taligenkänning). Kan innehålla fel — verifiera mot originalljudet för kritisk användning. Politik för AI

❤️ Älskar du STT.ai? Berätta för dina vänner!
Sammanfattning
Klicka på Summarize för att generera en AI sammanfattning av denna utskrift.
Sammanfatta...
Fråga AI om detta Transcript
Fråga något om denna utskrift — AI kommer att hitta relevanta avsnitt och svar.